১২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পথ খুঁজছেন টাঙ্গাইলে সোলেমান বাদশা

সোলেমান বাদশা বিশেষ প্রতিভার অধিকারী একজন মানুষ। পেশায় পিক-আপ চালক হলেও সোলেমানের অবসর সময় কাটে গান লিখে। নিজের লেখা গান নিজেই সুর দিয়ে থাকেন। গাইতেও পারেন চমৎকারভাবে। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়া সোলেমানের গানের ওপরে নেই কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। নেই কোন গানের গুরু। অথচ লিখেছেন প্রায় দেড় শতাধিক গান। তার লেখা আধুনিক গানের পাশাপাশি রয়েছে দেশাত্মকবোধক গান, আধ্যাত্মিক গান। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে লিখেছেন বেশ কিছু অসাধারণ গান।
৪৫ বছর বয়সী সোলেমান টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের বাংড়া গ্রামের মরহুম আব্দুল খালেক ও হালিমা বেগমের সন্তান। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সোলেমান দ্বিতীয়। গানের পেছনে ছুটে জীবন জীবিকা সংগ্রহে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন। তুবুও পথ খুঁজছেন সোলেমান। সোলেমানের এই সুপ্ত প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ মেলেনি এখনও। সাধারণ মানুষের জন্য লেখা অসাধারণ গানগুলো একদিন প্রকাশ হবে এই প্রত্যাশায় অনবরত লিখে যাচ্ছেন তিনি।
সোলেমান বাদশা জানান, আমি একজন গানপ্রেমী মানুষ। গান লেখা আর গানে সুর দিয়ে গান করা আমার শখ। গানের মাধ্যমে মানুষের জীবনের গল্প প্রকাশ করাই আমার স্বপ্ন। ফলে গাড়ি চালিয়ে যে সময়টুকু অবসর পাই সেই সময়ে আমি গান লিখি, গান গাই। আমি গান লিেিখছি প্রায় দেড় শতাধিক। গানগুলো প্রচার করার জন্য মাধ্যম খুঁজছি। আমার লেখা গানগুলো প্রতিষ্ঠিত হলে আমার গান লেখা সার্থক হতো।
যেসব গান শুনে মানুষ মুগ্ধ হয়েছেন তার মধ্যে আহা হৃদয় আমার কাঁদে মাগো তোমার পথ চাইয়া, এদশের নাইরে তুলনা, হৃদয় কখনও ভুলে না, চলো না ঘুরে আসি পদ্মা-যমুনা, এমনও দেশ আছে জান কি তুমি? মৃত মানুষেরা খায় তাজা মানুষ বলে জ্ঞানী-গুণি, বাংলার মানুষের মুক্তির লাগি বঙ্গবন্ধু জন্মেছিল, সকল আশা ভালোবাসা মানবতায় বিলিয়ে দিল, মুজিব শহীদের রক্ত শুকায়নি মাগো, এখনও মাটি ভেজা, বুঝতে গেলে খুবই কঠিন, বলতে গেলে সোজা, যার ডাকে প্রাণ দিয়েছিল লাখো বাঙালির দল, এইতো আমার সোনার মুজিব, মুখে বল, বাঙালির দল, মাগো বঙ্গবন্ধুর ডাকে পেয়েছি স্বাধীনতা, লাখো ভাইয়ে দিয়েছে জীবন করেনি সমঝোতা, উন্নয়ন, হয়েছে উন্নয়ন। জননেত্রী শেখ হাসিনা সোনার বাংলা করেছে গঠন। আবার দুঃখী মানুষের চোখের পানি করেছে মুছন।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :

৯ ফেব্রুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির

পথ খুঁজছেন টাঙ্গাইলে সোলেমান বাদশা

প্রকাশিত : ০৩:৪০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

সোলেমান বাদশা বিশেষ প্রতিভার অধিকারী একজন মানুষ। পেশায় পিক-আপ চালক হলেও সোলেমানের অবসর সময় কাটে গান লিখে। নিজের লেখা গান নিজেই সুর দিয়ে থাকেন। গাইতেও পারেন চমৎকারভাবে। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়া সোলেমানের গানের ওপরে নেই কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। নেই কোন গানের গুরু। অথচ লিখেছেন প্রায় দেড় শতাধিক গান। তার লেখা আধুনিক গানের পাশাপাশি রয়েছে দেশাত্মকবোধক গান, আধ্যাত্মিক গান। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে লিখেছেন বেশ কিছু অসাধারণ গান।
৪৫ বছর বয়সী সোলেমান টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের বাংড়া গ্রামের মরহুম আব্দুল খালেক ও হালিমা বেগমের সন্তান। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সোলেমান দ্বিতীয়। গানের পেছনে ছুটে জীবন জীবিকা সংগ্রহে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন। তুবুও পথ খুঁজছেন সোলেমান। সোলেমানের এই সুপ্ত প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ মেলেনি এখনও। সাধারণ মানুষের জন্য লেখা অসাধারণ গানগুলো একদিন প্রকাশ হবে এই প্রত্যাশায় অনবরত লিখে যাচ্ছেন তিনি।
সোলেমান বাদশা জানান, আমি একজন গানপ্রেমী মানুষ। গান লেখা আর গানে সুর দিয়ে গান করা আমার শখ। গানের মাধ্যমে মানুষের জীবনের গল্প প্রকাশ করাই আমার স্বপ্ন। ফলে গাড়ি চালিয়ে যে সময়টুকু অবসর পাই সেই সময়ে আমি গান লিখি, গান গাই। আমি গান লিেিখছি প্রায় দেড় শতাধিক। গানগুলো প্রচার করার জন্য মাধ্যম খুঁজছি। আমার লেখা গানগুলো প্রতিষ্ঠিত হলে আমার গান লেখা সার্থক হতো।
যেসব গান শুনে মানুষ মুগ্ধ হয়েছেন তার মধ্যে আহা হৃদয় আমার কাঁদে মাগো তোমার পথ চাইয়া, এদশের নাইরে তুলনা, হৃদয় কখনও ভুলে না, চলো না ঘুরে আসি পদ্মা-যমুনা, এমনও দেশ আছে জান কি তুমি? মৃত মানুষেরা খায় তাজা মানুষ বলে জ্ঞানী-গুণি, বাংলার মানুষের মুক্তির লাগি বঙ্গবন্ধু জন্মেছিল, সকল আশা ভালোবাসা মানবতায় বিলিয়ে দিল, মুজিব শহীদের রক্ত শুকায়নি মাগো, এখনও মাটি ভেজা, বুঝতে গেলে খুবই কঠিন, বলতে গেলে সোজা, যার ডাকে প্রাণ দিয়েছিল লাখো বাঙালির দল, এইতো আমার সোনার মুজিব, মুখে বল, বাঙালির দল, মাগো বঙ্গবন্ধুর ডাকে পেয়েছি স্বাধীনতা, লাখো ভাইয়ে দিয়েছে জীবন করেনি সমঝোতা, উন্নয়ন, হয়েছে উন্নয়ন। জননেত্রী শেখ হাসিনা সোনার বাংলা করেছে গঠন। আবার দুঃখী মানুষের চোখের পানি করেছে মুছন।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh