বৃষ্টির পানি নামতে না পারায় রাস্তা জুড়ে পানি। যানবহন চলছে ধীর গতিতে, হেলেদুলে। কাদা পানি মাড়িয়ে বাধ্য হয়ে প্রতিদিন পথ চলছেন স্কুল-কলেজের পড়ুয়া শিক্ষার্থীর সহ বিভিন্ন বয়সী পথচারী নারী-পুরুষ। সোমবার সরজমিনে ভেড়ামারা শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ড স্বর্ণকার পট্টি, চৈতন্য মোড় থেকে দক্ষিণ রেলগেট সড়কের এ চিত্র দেখা গেছে। যা প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামের চিত্রকেও হার মানায়।
ভেড়ামারা সরকারি মহিলা কলেজ, রহিমা আফসার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, প্রতিভা মডেল একাডেমি সংলগ্ন রোডের এ অবস্থা। চৈতন্য মোড় দিয়ে ঢুকতেই ভোগান্তি। শুরুতে যা দেখা গেল, ভিতরের অবস্থা আরো করুন। এই এলাকার মানুষের বিকল্প রোডের ব্যবস্থা না থাকাই বাধ্য হয়ে চলতে হচ্ছে কাদা পানি মাড়িয়ে। এসব সড়কে রিক্সা মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচলাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় গেছে, এই সড়কের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রোড ও ড্রেনের কাজ চলছে। যা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকজন এবং ভেড়ামারা পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ারদের অবহেলার কারণে এ অবস্থা দাবি করেন এলাকাবাসী। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাজের মেয়াদ শেষ কথা কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রায় ইতিমধ্যে ৬০% কাজ শেষ হয়েছে। এসব সড়কে মানুষ ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। গতকাল বিকালেও এই সড়কে থইথই পানি দেখা যায়।
স্থানীয়রা জানান, গত এক বছর ধরে এলাকার রাস্তায় চলতে গেলে দুর্ঘটনা আশঙ্কা থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলে কাদা পানিতে কাপড় নষ্ট হয়ে যায়।
পৌরসভার সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান মেয়র আনোয়ারুল কবির টুটুল দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই রোডের ড্রেন ও রোড নির্মাণ কাজের টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। যা এই সেপ্টেম্বর ২০২৩ মাসে কাজ সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।
স্থানীয় সিরাজুল ইসলাম বলেন, জনপ্রতিনিধিদের বারবার বলার পরও কোন পদক্ষেপ নেয়নি। ২০ টাকার রিক্সা ভাড়া ৫০ টাকা দিতে হয়।
স্থানীয় হাশেম আলি জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কে কার চলমান থাকায় মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বৃষ্টি হলে ভোগান্তির মাত্রা আরো বেড়ে যায়।
ভেড়ামারা পৌরসভার প্রকৌশলী বিভাগ জানান, এই ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট সহ পৌরসভার সকল রাস্তা, ড্রেনের সমস্যা সমাধানের বিষয়ে মেয়র আনোয়ারুল কবির টুটুল অবগত রয়েছেন। অগ্রবাধিকার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানে তার পরিকল্পনা রয়েছে।




















