সারাদেশে বিএনপির ডাক দেয়া হরতাল ও সহিংসতার প্রতিবাদে পাবনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা আ.লীগ। রবিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি জেলা আ.লীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার আ.লীগ কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এসময় একটি উন্নয়ন ও শান্তি সমাবেশে যুক্ত হন নেতাকর্মীরা। এসময় বিএনপি জামাতের জ্বালাও পোড়াওয়ের প্রতি নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন বক্তারা।
বক্তারা বলেন, হরতালের নামে মানুষের স্বাভাবিক জীবনে স্থবিরতা সৃষ্টি, গাড়ি ভাঙচুর করে ও আগুনে পুড়িয়ে মানুষের জামালের ক্ষতি করা বিএনপির পুরনো কাজ। ক্ষমতালাভের জন্য মরিয়া হয়ে তারা আবার সেই ঘৃণ্য রুপ প্রদর্শন করছে। এতে আ.লীগ একটুও বিচলিত নয়। বরং হরতাল বা ভাংচুরের মধ্য দিয়ে আর কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে রাজপথেই তার জবাব দেয়া হবে।
বক্তারা আরো বলেন, সাধারণ মানুষ ও পুলিশ হত্যা কখনোই কোনো সুস্থ্য রাজনৈতিক দলের কাজ হতে পারে না। এর মধ্য দিয়ে তাদের সন্ত্রাসী তান্ডব দেখেছে দেশের মানুষ। এগুলো দেশের মাটিতে আর মেনে নেয়া হবে না। সমুচিত জবাব দেয়া হবে।
জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আ.স.ম আ: রহিম পাকন, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন ও পৌরসভার মেয়র শরীফ উদ্দিন প্রধান সহ বিভিন্ন ইউনিটের শীর্ষ নেতারা এ শান্তি সমাবেশে ক্তব্য দেন।
এদিকে বিএনপি গতকাল (২৮ অক্টোবর) নয়াপল্টনে তাদের মহাসমাবেশে পুলিশি হামলার অভিযোগ এনে সারাদেশে সকাল সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে। তবে এ হরতাল বাস্তবায়নে পাবনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঠে কোনো উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। এদিকে পাবনায় এ হরতালের তেমন প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। বাজার ও মার্কেট সহ সর্বত্রই নির্ভয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মানুষ। শহরের আঞ্চলিক, প্রধান ও মহাসড়কগুলোতে স্বাভাবিকভাবেই চলাচল করছে সকল যান। তবে দুরপাল্লার বাসগুলো পাবনা ছাড়তে দেখা যায়নি। আপাতত দূরপাল্লার গাড়ি তেমন না চালালেও এধরণের হরতালকে তোয়াক্কা করেন না বলে জানিয়েছেন বাস মালিকেরা।
বিজনেস বাংলাদেশ/একে



















