অবরোধের দ্বিতীয় দিনে সকাল থেকেই ঈশ্বরদীর জীবনযাত্রা ছিলো স্বাভাবিক। দূরপাল্লার বাস ছাড়া স্বল্প দূরত্বের বাস, ট্রেন ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল করছিলো। বাজারের দোকানপাট খুলে বেচাকেনাও চলছে। উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে নেতা-কর্মীরাও স্বাভাবিক নিয়মে অবস্থান নিয়ে শান্তি সমাবেশ করছে।
এর পরই আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থানকারী নেতা-কর্মীরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলের নেতৃত্ব দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ মিন্টু। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাস টার্মিনালে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নায়েব আলী বিশ্বাস ও সঞ্চলনায় ছিলেন ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খান।
এসময় আবুল কালাম আজাদ মিন্টু বিএনপি’র জ্বালাও-পোড়াও নৈরাজ্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ব্যবসায়ীদের সাহস যুগিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা রাজপথে আছে। আমরা জীবন দিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করবো। পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে ও বাসের হেলপারকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত আবার প্রমাণ করল, ২০১৩-১৪ সালে তারা যা করেছে, তা আবার শুরু করেছে। গাড়ি পোড়ানো, পুলিশ হত্যা, পুলিশের ওপর হামলা, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে বিনা কারণে, বিনা উস্কানিতে। তাদের কাজই হল কিভাবে ধ্বংসাত্মক কাজ করা যায়, নৈরাজ্য সৃষ্টি করা যায়।
দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য বিএনপি-জামায়াত গতকাল হামলা চালিয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এটা বিএনপি করবে। তাদের জন্মটাই এভাবে হয়েছে। মানুষ হত্যা করেই ওদের পার্টির জন্ম। কাজেই তারা এটি করবে, আমরা আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছি এবং সকল নৈরাজ্য প্রতিহত করব।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা চান্নামন্ডল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আকরাম হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খান ,আতিয়া ফেরদৌস কাকলী, শ্রমিক লীগের নেতা জাহাঙ্গির হোসেন, কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য শফিউল আলম বিশ্বাস , আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আজিজুর রহমান চঞ্চল,উপজেলা ছাএলীগের সাবেক সভাপতি যুবায়ের বিশ্বাস ,সহ আওয়ামী লীগ, অংগ ও সহযোগী সংগঠনের চার/পাঁচ শত নেতা-কর্মী এসময় উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দফায় দফায় শহরে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ মিছিল বের করে রাজপথ প্রকম্পিত করে।
বিজনেস বাংলাদেশ/একে



















