০৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

লোহাগাড়ায় মৎস্য চাষে লাখ টাকার পুঁজি থেকে কোটি টাকার সাফল্য পাঁচ বন্ধুর

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর পদুয়া এলাকায় মুন্সি দীঘি নামক একটি পুকুরে সখের বসে ৫ বছরের জন্য মৎস্য চাষ শুরু করে অভাবনীয় সাফল্যের মুখ দেখেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আমান উল্লাহ আমানসহ তার ৫ বন্ধু। পাঁচ বন্ধুর মধ্যে অন্যরা হলেন মুহাম্মদ নাছির, জাহেদুল ইসলাম , মুহাম্মদ সাইফুল ও শাহেদ।

২০০৪ সালে পড়ালেখা শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে এবং বেকারত্ব দূর করতে সিন্ডিকেট করে ২ লাখ টাকার পুঁজিতে মৎস্য চাষ শুরু করেছিলেন তারা। অল্প সময়ের মধ্যে লাখ টাকার পুঁজি থেকে কোটি টাকার সাফল্য পাওয়ায় বর্তমানে বানিজ্যিক ভাবে ৫টি খামারে মাছ চাষ করে যাচ্ছেন তারা। মৎস্য চাষে পাঁচ বন্ধু বর্তমানে অনেক স্বাবলম্বী। তাদের এসব খামারে তৈরি হয়েছে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান। পাঁচ বন্ধুর এমন সফলতা দেখে গ্রামের অনেক বেকার যুবকেরা মৎস্য চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

পাঁচ বন্ধুর পক্ষে এসব মৎস্য খামার দেখাশুনা করেন মেম্বার আমান উল্লাহ আমান। তিনি বলেন সখের বসে মৎস্য চাষ শুরু করলেও বর্তমানে বানিজ্যিক ভাবে মৎস্য চাষ করে যাচ্ছেন তারা। তাদেরকে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিস সবসময় সার্বিক সহযোগীতা করে যাচ্ছেন।

উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের মাঠ সহকারী কর্মকর্তা ইয়াব মাহবুব মুছা বলেন, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে মৎস্য চাষে এগিয়ে আছে উত্তর পদুয়া এলাকা। তারা পাঁচ বন্ধুর সফলতা কামনা করে তিনি আরো বলেন সকল মৎস্য চাষীদের সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও তাদেরকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে। এদিকে দেশের প্রত্যেক এলাকার বেকার যুবকেরা উদ্যোক্তা হয়ে এ ধরনের উদ্যোগ নিলে যেমন দেশে বেকারত্ব কমে আসবে,তেমনি অর্থনৈতিকভাবে এ দেশ অনেক এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’

লোহাগাড়ায় মৎস্য চাষে লাখ টাকার পুঁজি থেকে কোটি টাকার সাফল্য পাঁচ বন্ধুর

প্রকাশিত : ০৬:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর পদুয়া এলাকায় মুন্সি দীঘি নামক একটি পুকুরে সখের বসে ৫ বছরের জন্য মৎস্য চাষ শুরু করে অভাবনীয় সাফল্যের মুখ দেখেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আমান উল্লাহ আমানসহ তার ৫ বন্ধু। পাঁচ বন্ধুর মধ্যে অন্যরা হলেন মুহাম্মদ নাছির, জাহেদুল ইসলাম , মুহাম্মদ সাইফুল ও শাহেদ।

২০০৪ সালে পড়ালেখা শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে এবং বেকারত্ব দূর করতে সিন্ডিকেট করে ২ লাখ টাকার পুঁজিতে মৎস্য চাষ শুরু করেছিলেন তারা। অল্প সময়ের মধ্যে লাখ টাকার পুঁজি থেকে কোটি টাকার সাফল্য পাওয়ায় বর্তমানে বানিজ্যিক ভাবে ৫টি খামারে মাছ চাষ করে যাচ্ছেন তারা। মৎস্য চাষে পাঁচ বন্ধু বর্তমানে অনেক স্বাবলম্বী। তাদের এসব খামারে তৈরি হয়েছে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান। পাঁচ বন্ধুর এমন সফলতা দেখে গ্রামের অনেক বেকার যুবকেরা মৎস্য চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

পাঁচ বন্ধুর পক্ষে এসব মৎস্য খামার দেখাশুনা করেন মেম্বার আমান উল্লাহ আমান। তিনি বলেন সখের বসে মৎস্য চাষ শুরু করলেও বর্তমানে বানিজ্যিক ভাবে মৎস্য চাষ করে যাচ্ছেন তারা। তাদেরকে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিস সবসময় সার্বিক সহযোগীতা করে যাচ্ছেন।

উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের মাঠ সহকারী কর্মকর্তা ইয়াব মাহবুব মুছা বলেন, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে মৎস্য চাষে এগিয়ে আছে উত্তর পদুয়া এলাকা। তারা পাঁচ বন্ধুর সফলতা কামনা করে তিনি আরো বলেন সকল মৎস্য চাষীদের সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও তাদেরকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে। এদিকে দেশের প্রত্যেক এলাকার বেকার যুবকেরা উদ্যোক্তা হয়ে এ ধরনের উদ্যোগ নিলে যেমন দেশে বেকারত্ব কমে আসবে,তেমনি অর্থনৈতিকভাবে এ দেশ অনেক এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh