০৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে আহ্ছানিয়া মিশনের মোমবাতি প্রজ্বলন

‘ওয়ার্ল্ড ডে অফ রিমেম্বারেন্স ফর রোড ট্রাফিক ভিক্টিমস্’ দিবস উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন ও পদযাত্রা করেছে ঢাকা আহছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টর। আজ রোববার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শ্যামলীতে আশা টাওয়ারের সামনে প্রধান সড়কে মোমবাতি প্রজ্বলন করে। পরে পদযাত্রার মাধ্যমে শ্যামলী পার্ক মাঠে গিয়ে এই কার্যক্রমের সমাপ্ত হয়।

মোমবাতি প্রজ্বলন ও পদযাত্রা কর্মসূচিতে আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের কর্মকর্তাগণ, রোড সেইফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশের সদস্য সংস্থার প্রতিনিধিগণ অংশ নেন। এবং একটি সড়ক নিরাপত্তা আইন এর দাবি জানন।

উল্লেখ্য, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ মূলত মোটরযান আইন। যেখানে মোটরযানের ফিটনেস, লাইসেন্স, রুট পারমিট ও আইন ভঙ্গের জরিমানাকেই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। এই আইনে সড়ক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি অনুপুস্থিত। অন্যদিকে এই আইন প্রয়োগ করেও পাওয়া যাচ্ছেনা আশানুরূপ ফল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন, এসডিজি লক্ষ অর্জন এবং গ্লোবাল ডিকেড অফ এ্যাকশন ফর রোডক্র্যাশ অর্জনে প্রয়োজন একটি আলাদা সড়ক নিরাপত্তা আইন। যে আইনটি জাতিসংঘ ঘোষিত সেইফ সিস্টেম এপ্রোচ এর আলোকে প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হবে। তাই আজকের এই কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের রোডক্র্যাশ ও আহত-নিহতের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে একটি কার্যকর “সড়ক নিরাপত্তা আইন” এর দাবি জানান ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে আহ্ছানিয়া মিশনের মোমবাতি প্রজ্বলন

প্রকাশিত : ০৬:১৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩

‘ওয়ার্ল্ড ডে অফ রিমেম্বারেন্স ফর রোড ট্রাফিক ভিক্টিমস্’ দিবস উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন ও পদযাত্রা করেছে ঢাকা আহছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টর। আজ রোববার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শ্যামলীতে আশা টাওয়ারের সামনে প্রধান সড়কে মোমবাতি প্রজ্বলন করে। পরে পদযাত্রার মাধ্যমে শ্যামলী পার্ক মাঠে গিয়ে এই কার্যক্রমের সমাপ্ত হয়।

মোমবাতি প্রজ্বলন ও পদযাত্রা কর্মসূচিতে আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের কর্মকর্তাগণ, রোড সেইফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশের সদস্য সংস্থার প্রতিনিধিগণ অংশ নেন। এবং একটি সড়ক নিরাপত্তা আইন এর দাবি জানন।

উল্লেখ্য, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ মূলত মোটরযান আইন। যেখানে মোটরযানের ফিটনেস, লাইসেন্স, রুট পারমিট ও আইন ভঙ্গের জরিমানাকেই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। এই আইনে সড়ক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি অনুপুস্থিত। অন্যদিকে এই আইন প্রয়োগ করেও পাওয়া যাচ্ছেনা আশানুরূপ ফল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন, এসডিজি লক্ষ অর্জন এবং গ্লোবাল ডিকেড অফ এ্যাকশন ফর রোডক্র্যাশ অর্জনে প্রয়োজন একটি আলাদা সড়ক নিরাপত্তা আইন। যে আইনটি জাতিসংঘ ঘোষিত সেইফ সিস্টেম এপ্রোচ এর আলোকে প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হবে। তাই আজকের এই কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের রোডক্র্যাশ ও আহত-নিহতের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে একটি কার্যকর “সড়ক নিরাপত্তা আইন” এর দাবি জানান ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh