পাবনা-১(সাঁথিয়া-বেড়া আংশিক) আসনে প্রচারণায় নেমেই পদে পদে বাধার অভিযোগ তুলেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১ টা থেকে তিনি নির্বাচনী এলাকা সাঁথিয়া উপজেলার বোয়ালিয়া বাজারে অবরুদ্ধ হয়ে আছেন। তাঁকে ঘিরে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী ও ডেুপুটি স্পিকার শামসুল হকের সমর্থকরা বিভিন্ন শ্লোগান দিচ্ছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
ঘটনাস্থলে বিপুল পরিমান পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বিকেল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত পরিস্থিত স্বাভাবিক হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। আবু সাইয়িদের দাবি, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হলেও তাঁরা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।
স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুপুর ১২ টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে কয়েকটি গাড়ি নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় বেড় হন। তাঁর সঙ্গী হন আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল হকের ভাই এবং বেড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল বাতেন। তাঁদের গাড়ি বহরটি বেড়া সিএন্ডবি বাজার এলাকায় পৌছালে প্রথম বাধার মুখে পরে। নৌকা মার্কার শ্লোগান দিয়ে একদল লোকজন গাড়ি বহরটিকে অবরুদ্ধ করে। সেখানে গাড়ি বহরে থাকা লোকজনকে চর থাপ্পর দেবার ঘটনা ঘটে। পরে সেখান থেকে দুপুর ১ টার দিকে গাড়ি বহরটি সাঁথিয়ার বোয়ালিয়া বাজারে পৌঁছালে আবারও বাধার মুখে পরে। পরে আবু সাইয়িদ তাঁর লোকজন নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে একটি দোকানে আশ্রয় নেন। সেখানেই তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
অধ্যাপক আবু সাইয়িদ অভিযোগ করেন, প্রচারণার শুরুতেই তাঁকে পদে পদে বাধা দেয়া হচ্ছে। সিএনবি মোড়ে গাড়িবহর আটকে নেতাকর্মীদের মারপিট করা হয়েছে। এতে তাঁর ৫ থেকে ৭ জন কর্মী আহত হয়েছেন। পরে তিনি বোয়ালিয়া বাজারে পৌঁছালে সেখানেও অবরুদ্ধ হয়ে আছেন। ঘটনাস্থলে বিপুল পরিমান পুলিশ মোতায়েন থাকলেও তাঁরা নিরব ভুমিকা পালন করছেন। এটা সুষ্ঠ নির্বাচনের পরিবেশ হতে পারে না।
তবে এ প্রসঙ্গে জানতে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল হকের মুঠোফোনে কয়েকবার কল দেয়া হলে তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তাঁর কোন বক্তব্য পওায়া যায়নি।
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা পরিবেশ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি। আপাতত এর বেশি কিছু বলার নেই।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মু. আসাদুজ্জামান বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি। নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয়ার অধিকার কারো নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। প্রার্থীরা তাঁদের মত করে প্রচারণা চালাতে পারবেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















