০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

বি এন স্কুল এন্ড কলেজের ২০০৭ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

  • তারেক মাহমুদ:
  • প্রকাশিত : ০৮:০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 274

সম্প্রতি রাজধানীর বনানীতে প্লাটিনাম গ্রান্ড হোটেলে, বাংলাদেশ নেভি স্কুল এন্ড কলেজ ঢাকা বিভাগের ২০০৭ সালের ব্যাচের তৃতীয় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে ২০১৪ সালে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় দশ বছর পর স্কুলের বন্ধু ও শিক্ষকেরা একসাথে হতে পেরে এক আনন্দমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল।

এই অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, বর্তমান প্রধান শিক্ষক নুরুন্নাহার বেগম, আয়েশা ম্যাডাম, নাসরীন ম্যাডাম, হালিম স্যার, সুফিয়া ম্যাডাম ও আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষকদের পেয়ে নস্টালজিক হয়ে পড়েছিলেন এই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

প্রথমেই, স্মরণ করা হয়েছিল সেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরকে যারা আমাদের এই ধরণী ছেড়ে চলে গিয়েছেন। বক্কর স্যার, সালাম স্যার, নুরুল স্যার, খুরশিদা ম্যাডাম ও আরও অনেক স্যার ম্যাডামের কথা স্মরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিবেশ কিছুটা গম্ভীর হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে আয়েশা ম্যাডাম, করিম স্যার ও অন্যান্য স্যার ম্যাডামদের মাইকে কথা বলার সময় সবাই যেনো হারিয়ে যাওয়া অভিভাবকদের পুনরায় খুঁজে পেয়েছিল। মনে হচ্ছিল ভেড়ার পালকে যেমন রাখাল পথ দেখিয়ে সঠিক যায়গায় নিয়ে যায়, এতদিন পর আজও আরও একবার সেইরকমই দিক নির্দেশনা দিচ্ছিল স্যার ম্যাডামরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থী তামজীদ আল হোসেন বলেন, ‘আজ এতদিন পর সবাইকে দেখলাম, কিন্ত একবারও মনে হয়নি যে আমরা বিচ্ছিন্ন কেউ, আমার কাছে মনে হয়েছে, জীবনের লক্ষ্য পূরণ করার যে স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম তা আজ থেকে অনেক বছর আগে আমরা সবাই একসাথেই দেখেছিলাম, সবাই একই জাহাজের যাত্রী ছিলাম’।

শিক্ষার্থী রাহাত সাজ্জাদ বলেন, ‘সবাইকে দেখে আমার এত ভালো লেগেছে যে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমরা সবাই আসলে একটি পরিবার ছিলাম’।

অনুষ্ঠানে অনেকেই উপস্থিত হতে না পেরে খুবই দুঃখ প্রকাশ করেছিল। রেজাউল করিম মুকুল বলেন, ‘আমি এই স্কুলে এগারো বছর পড়েছি, আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই এগারো বছর সারাজীবন প্রভাব ফেলে রাখবে, আমি এই অনুষ্ঠানে না আসতে পেরে খুবই দুঃখিত, তবে ছবিতে ও গল্পে যতটুকু শুনেছি বা দেখেছি তা থেকেও কিছুটা হলেও আনন্দ পেয়েছি’।

যারা দেশের বাহিরে রয়েছিল তাদের অনেকেই ভিডিও কলে যুক্ত হয়েছিলেন। তাদের মাঝে স্কুলের স্মৃতিচারণ করতে যেয়ে পাপ্পু ও সিফাত অশ্রুসিক্ত হয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজক মামুর আকতার, সাহাদাত হোসেন পলাশ, ফরহাদ হোসেন দিপু, সাবরিনা সুলতানা ও অন্যান্য সবার অক্লান্ত পরিশ্রমের দরুন এই অনুষ্ঠান সফল হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

জনপ্রিয়

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে কর্মসংস্থান ব্যাংকের নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন

বি এন স্কুল এন্ড কলেজের ২০০৭ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত : ০৮:০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সম্প্রতি রাজধানীর বনানীতে প্লাটিনাম গ্রান্ড হোটেলে, বাংলাদেশ নেভি স্কুল এন্ড কলেজ ঢাকা বিভাগের ২০০৭ সালের ব্যাচের তৃতীয় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে ২০১৪ সালে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় দশ বছর পর স্কুলের বন্ধু ও শিক্ষকেরা একসাথে হতে পেরে এক আনন্দমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল।

এই অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, বর্তমান প্রধান শিক্ষক নুরুন্নাহার বেগম, আয়েশা ম্যাডাম, নাসরীন ম্যাডাম, হালিম স্যার, সুফিয়া ম্যাডাম ও আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষকদের পেয়ে নস্টালজিক হয়ে পড়েছিলেন এই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

প্রথমেই, স্মরণ করা হয়েছিল সেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরকে যারা আমাদের এই ধরণী ছেড়ে চলে গিয়েছেন। বক্কর স্যার, সালাম স্যার, নুরুল স্যার, খুরশিদা ম্যাডাম ও আরও অনেক স্যার ম্যাডামের কথা স্মরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিবেশ কিছুটা গম্ভীর হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে আয়েশা ম্যাডাম, করিম স্যার ও অন্যান্য স্যার ম্যাডামদের মাইকে কথা বলার সময় সবাই যেনো হারিয়ে যাওয়া অভিভাবকদের পুনরায় খুঁজে পেয়েছিল। মনে হচ্ছিল ভেড়ার পালকে যেমন রাখাল পথ দেখিয়ে সঠিক যায়গায় নিয়ে যায়, এতদিন পর আজও আরও একবার সেইরকমই দিক নির্দেশনা দিচ্ছিল স্যার ম্যাডামরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থী তামজীদ আল হোসেন বলেন, ‘আজ এতদিন পর সবাইকে দেখলাম, কিন্ত একবারও মনে হয়নি যে আমরা বিচ্ছিন্ন কেউ, আমার কাছে মনে হয়েছে, জীবনের লক্ষ্য পূরণ করার যে স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম তা আজ থেকে অনেক বছর আগে আমরা সবাই একসাথেই দেখেছিলাম, সবাই একই জাহাজের যাত্রী ছিলাম’।

শিক্ষার্থী রাহাত সাজ্জাদ বলেন, ‘সবাইকে দেখে আমার এত ভালো লেগেছে যে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমরা সবাই আসলে একটি পরিবার ছিলাম’।

অনুষ্ঠানে অনেকেই উপস্থিত হতে না পেরে খুবই দুঃখ প্রকাশ করেছিল। রেজাউল করিম মুকুল বলেন, ‘আমি এই স্কুলে এগারো বছর পড়েছি, আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই এগারো বছর সারাজীবন প্রভাব ফেলে রাখবে, আমি এই অনুষ্ঠানে না আসতে পেরে খুবই দুঃখিত, তবে ছবিতে ও গল্পে যতটুকু শুনেছি বা দেখেছি তা থেকেও কিছুটা হলেও আনন্দ পেয়েছি’।

যারা দেশের বাহিরে রয়েছিল তাদের অনেকেই ভিডিও কলে যুক্ত হয়েছিলেন। তাদের মাঝে স্কুলের স্মৃতিচারণ করতে যেয়ে পাপ্পু ও সিফাত অশ্রুসিক্ত হয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজক মামুর আকতার, সাহাদাত হোসেন পলাশ, ফরহাদ হোসেন দিপু, সাবরিনা সুলতানা ও অন্যান্য সবার অক্লান্ত পরিশ্রমের দরুন এই অনুষ্ঠান সফল হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ