০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

দশমিনায় এসআই’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালীর দশমিনায় বাদীর নিকট থেকে ঘুষ নিয়েও মামলা থেকে প্রধান আসামী ও প্রধান সাক্ষীকে বাদ দেয়ার অভিযোেগ উঠেছে মো. ফিরোজ আলম নামে দশমিনা থানার এক এসআই এর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ঐ মামলার বাদী ভুক্তভোগী আবদুল খালেক হাওলাদার নামে গতকাল সোমবার দুপুর আড়াইটার সময় দশমিনা ভিআইপি ডাকবাংলোর হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

তিনি উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের মৃত আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।

আবদুল খালেক হাওলাদারের অভিযোগ, কৃষি কাজের পাশাপাশি তিনি ৯টি গরু পালন করতেন। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি দিবাগত রাতে তার ৯টির মধ্যে থেকে ২টি গরু চুরি হয়। ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ওয়ারেচ পালোয়ানের ছেলে মো. মিলন পালোয়ানকে প্রধান স্বাক্ষী করে একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা অহিদুল আকনের ছেলে মো. মামুন আকনকে প্রধান আসামী করে ৩ জনের নামে ১৫ জানুয়ারি মামলার জন্য দশমিনা থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন। দশমিনা থানার এসআই মো. ফিরোজ আলমের উপস্থিতিতে থানায় বসেই মামলার আবেদন লেখেন আবদুল খালেক হাওলাদার।

মামলার জন্য দশমিনা থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বাদী কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ গ্রহন এবং থানা থেকে পাঠিয়ে দেন। পরে বেশি টাকা পেয়ে এসআই ফিরোজ আলম প্রধান আসামী মো. মামুন আকন ও প্রধান স্বাক্ষী মো. মিলন পালোয়াকে মামলা থেকে বাদ দিয়ে অজ্ঞাত আসামীর নামে মামলা রুজু করেন। এছাড়াও অভিযুক্ত ঐ মামুনের বিরুদ্ধে আরো একাধিক মামলা রয়েছে দশমিনা ও গলাচিপা থানায়।

অভিযোগের বিষয় দশমিনা থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম এর মুঠফোনে গত সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।  তাই তার মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি

ট্যাগ :

বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের অভিযানে ১০ দশ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার

দশমিনায় এসআই’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত : ০৬:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

পটুয়াখালীর দশমিনায় বাদীর নিকট থেকে ঘুষ নিয়েও মামলা থেকে প্রধান আসামী ও প্রধান সাক্ষীকে বাদ দেয়ার অভিযোেগ উঠেছে মো. ফিরোজ আলম নামে দশমিনা থানার এক এসআই এর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ঐ মামলার বাদী ভুক্তভোগী আবদুল খালেক হাওলাদার নামে গতকাল সোমবার দুপুর আড়াইটার সময় দশমিনা ভিআইপি ডাকবাংলোর হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

তিনি উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের মৃত আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।

আবদুল খালেক হাওলাদারের অভিযোগ, কৃষি কাজের পাশাপাশি তিনি ৯টি গরু পালন করতেন। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি দিবাগত রাতে তার ৯টির মধ্যে থেকে ২টি গরু চুরি হয়। ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ওয়ারেচ পালোয়ানের ছেলে মো. মিলন পালোয়ানকে প্রধান স্বাক্ষী করে একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা অহিদুল আকনের ছেলে মো. মামুন আকনকে প্রধান আসামী করে ৩ জনের নামে ১৫ জানুয়ারি মামলার জন্য দশমিনা থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন। দশমিনা থানার এসআই মো. ফিরোজ আলমের উপস্থিতিতে থানায় বসেই মামলার আবেদন লেখেন আবদুল খালেক হাওলাদার।

মামলার জন্য দশমিনা থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বাদী কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ গ্রহন এবং থানা থেকে পাঠিয়ে দেন। পরে বেশি টাকা পেয়ে এসআই ফিরোজ আলম প্রধান আসামী মো. মামুন আকন ও প্রধান স্বাক্ষী মো. মিলন পালোয়াকে মামলা থেকে বাদ দিয়ে অজ্ঞাত আসামীর নামে মামলা রুজু করেন। এছাড়াও অভিযুক্ত ঐ মামুনের বিরুদ্ধে আরো একাধিক মামলা রয়েছে দশমিনা ও গলাচিপা থানায়।

অভিযোগের বিষয় দশমিনা থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম এর মুঠফোনে গত সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।  তাই তার মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি