১২:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উৎপাদনে ফিরেছে চাঁদপুর কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র

ছবি : সংগৃহীত

আবারও উৎপাদনে ফিরেছে চাঁদপুর ১৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র। মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টায় উৎপাদনের মাধ্যমে প্রাণ ফিরেছে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির।

এর আগে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায় ১৪ মাস বন্ধ ছিল ‍উৎপাদন। এরই মধ্যে কয়েক দফায় মেরামত করেও তা চালু করা সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে গ্যাস সরবরাহের যন্ত্রাংশে ত্রুটি ধরা পড়ে। উৎপাদন না হওয়ায় বন্ধ থাকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আকতারুজ্জামান।

তিনি জানান, ২০২২ সালে ৬ ডিসেম্বর রক্ষাণাবেক্ষণ কাজের জন্য বন্ধ হয়ে যায় দুটি ইউনিট। একটি ৫০ মেগাওয়াট, আরেকটি ১০০ মেগাওয়াট। এখন ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছে। গ্যাস বুস্টার বিকল হওয়ায় কিছুটা বিলম্ব হয়। বর্তমানে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহ ঠিক থাকলে ৮০ থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়ে উঠবে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করে চায়না চেংদা ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরুর পর ২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

জনপ্রিয়

সংসদীয় কমিটির সভাপতি হলেন পাবনা-২ আসনের এমপি সেলিম রেজা হাবিব

উৎপাদনে ফিরেছে চাঁদপুর কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র

প্রকাশিত : ১১:১০:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

আবারও উৎপাদনে ফিরেছে চাঁদপুর ১৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র। মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টায় উৎপাদনের মাধ্যমে প্রাণ ফিরেছে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির।

এর আগে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায় ১৪ মাস বন্ধ ছিল ‍উৎপাদন। এরই মধ্যে কয়েক দফায় মেরামত করেও তা চালু করা সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে গ্যাস সরবরাহের যন্ত্রাংশে ত্রুটি ধরা পড়ে। উৎপাদন না হওয়ায় বন্ধ থাকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আকতারুজ্জামান।

তিনি জানান, ২০২২ সালে ৬ ডিসেম্বর রক্ষাণাবেক্ষণ কাজের জন্য বন্ধ হয়ে যায় দুটি ইউনিট। একটি ৫০ মেগাওয়াট, আরেকটি ১০০ মেগাওয়াট। এখন ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছে। গ্যাস বুস্টার বিকল হওয়ায় কিছুটা বিলম্ব হয়। বর্তমানে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহ ঠিক থাকলে ৮০ থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়ে উঠবে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করে চায়না চেংদা ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরুর পর ২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে