০৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আশুলিয়ায় দম্পতি ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার, দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে নেমে এসেছে শোকের ছায়া

ঢাকার আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাসা থেকে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতরা হলেন আলমগীর, তার স্ত্রী নাজমা ও তাদের ছয় মাসের শিশু সন্তান।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাদের মরদেহ নবাবগঞ্জ উপজেলার নির্শা পলাশবাড়ী গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে শেষবারের মতো প্রিয়জনদের দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন স্থানীয়রা।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে জীবিকার তাগিদে স্ত্রী নাজমা ও শিশুসন্তানকে নিয়ে ঢাকায় যান আলমগীর। সেখানে নাজমা একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। আর আলমগীর পান বিক্রি করে সংসার চালাতেন। সংসারে স্বচ্ছলতা আনার আশায় দুজনেই কঠোর পরিশ্রম করছিলেন।

কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকার হাজী হযরত আলীর মালিকানাধীন চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে আলমগীর, তার স্ত্রী নাজমা ও ছয় মাসের শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

একসঙ্গে একই পরিবারের তিন সদস্যের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে নির্শা পলাশবাড়ীসহ আশপাশের এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন ও স্থানীয়দের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

তবে কীভাবে ও কী কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হুমকি-উসকানি নয়, শান্তিপূর্ণ রাজনীতির আহ্বান পাপ্পার

আশুলিয়ায় দম্পতি ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার, দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে নেমে এসেছে শোকের ছায়া

প্রকাশিত : ০৩:২৫:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাসা থেকে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতরা হলেন আলমগীর, তার স্ত্রী নাজমা ও তাদের ছয় মাসের শিশু সন্তান।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাদের মরদেহ নবাবগঞ্জ উপজেলার নির্শা পলাশবাড়ী গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে শেষবারের মতো প্রিয়জনদের দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন স্থানীয়রা।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে জীবিকার তাগিদে স্ত্রী নাজমা ও শিশুসন্তানকে নিয়ে ঢাকায় যান আলমগীর। সেখানে নাজমা একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। আর আলমগীর পান বিক্রি করে সংসার চালাতেন। সংসারে স্বচ্ছলতা আনার আশায় দুজনেই কঠোর পরিশ্রম করছিলেন।

কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকার হাজী হযরত আলীর মালিকানাধীন চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে আলমগীর, তার স্ত্রী নাজমা ও ছয় মাসের শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

একসঙ্গে একই পরিবারের তিন সদস্যের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে নির্শা পলাশবাড়ীসহ আশপাশের এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন ও স্থানীয়দের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

তবে কীভাবে ও কী কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ।

ডিএস./