শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল ৫টার মধ্যে ছাত্র ও শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে বাসের ধাক্কায় চুয়েটের দুই শিক্ষার্থীর নিহতের ঘটনায় বাস চালকের বিচারসহ ৭ দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে চুয়েট ক্যাম্পাসের সামনে গাছ ফেলে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই মহাসড়ক অবরোধ করে তারা। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এসময় টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা সাত দফা দাবি তুলে ধরেন। এসব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফুয়াদ ইকবাল সংবাদ সম্মেলনে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেন।
দাবিগুলো হলো পলাতক আসামি খুনি ড্রাইভারকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। শাহ আমানত বাস কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। ভুক্তভোগী পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে। আহত শিক্ষার্থীর সকল চিকিৎসার দায়িত্ব সকল শাহ আমানত বাস কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। চট্টগ্রাম কাপ্তাই মহাসড়কে দ্রুত প্রশস্তকরণ কার্যক্রম শুরু এবং দূরপাল্লার বাস ব্যতীত সকল লোকাল বাস চলাচল নিষিদ্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে চুয়েট মেডিকেল সেন্টারের সকল প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা, এক্সরে, ইসিজি আধুনিক যন্ত্রপাতি নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়। অ্যাম্বুলেন্স সংখ্যা শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুপাতে অপ্রতুল হওয়ায় অতি দ্রুত শিক্ষার্থীদের জন্য ৪টি অ্যাম্বুলেন্স নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়।
এ সব দাবি লিখিতভাবে আদায় না হওয়া পর্যন্ত সব প্রকার শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে এবং আন্দোলন চলবে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।























