০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

মন্ত্রিসভায় জাতীয় কৃষিনীতির অনুমোদন

কৃষিকে লাভজনক করার উদ্দেশ্যে জাতীয় কৃষিনীতি, ২০১৮-এর অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ২০১৩ সালের কৃষিনীতির আরো আধুনিকায়ন করে এ জাতীয় কৃষিনীতি করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষিকে লাভজনক করা।

সচিব জানান, এই নীতিতে কৃষি উৎপাদনে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সমবায়ভিত্তিক কৃষি খামার, অনাবাদি কৃষিজমির আবাদ বৃদ্ধি ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করা হয়েছে। এ ছাড়া এখানে কৃষি উৎপাদনে ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে।

শফিউল আলম বলেন, ‘কেউ যদি আবাদযোগ্য কৃষিজমিকে অনাবাদি রেখে দেয়, তাহলে সরকার এই ব্যাপারে খোঁজখবর নেবে। কেন এইগুলা অনাবাদি রেখে দিল, তাও অনুসন্ধান করবে। জমির টেকসই ব্যবহার, পণ্যের লাভজনক জাত, লাভজনক উদ্ভাবন এই নীতির আলোকে করা হবে।’

এই কৃষিনীতিতে বলা হয়েছে, নিরাপদ ও কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ফসলের উৎপাদনশীলতা ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি করা এই নীতিমালার লক্ষ্য।

সচিব আরো বলেন, ‘কৃষি খাতে যে সমস্ত দুর্বলতা আছে, এ দুর্বলতাগুলো কাটানো হবে।’

এ ছাড়া আজকের মন্ত্রিসভার এই বৈঠকে বাংলাদেশ কৃষি একাডেমি আইন, ২০১৮-এর অনুমোদন দেওয়া হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ ডটকম সম্পাদক দুই হাজার পরিবারকে উপহার দিলেন ঈদ সামগ্রী

মন্ত্রিসভায় জাতীয় কৃষিনীতির অনুমোদন

প্রকাশিত : ০৩:৫১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ জুলাই ২০১৮

কৃষিকে লাভজনক করার উদ্দেশ্যে জাতীয় কৃষিনীতি, ২০১৮-এর অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ২০১৩ সালের কৃষিনীতির আরো আধুনিকায়ন করে এ জাতীয় কৃষিনীতি করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষিকে লাভজনক করা।

সচিব জানান, এই নীতিতে কৃষি উৎপাদনে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সমবায়ভিত্তিক কৃষি খামার, অনাবাদি কৃষিজমির আবাদ বৃদ্ধি ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করা হয়েছে। এ ছাড়া এখানে কৃষি উৎপাদনে ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে।

শফিউল আলম বলেন, ‘কেউ যদি আবাদযোগ্য কৃষিজমিকে অনাবাদি রেখে দেয়, তাহলে সরকার এই ব্যাপারে খোঁজখবর নেবে। কেন এইগুলা অনাবাদি রেখে দিল, তাও অনুসন্ধান করবে। জমির টেকসই ব্যবহার, পণ্যের লাভজনক জাত, লাভজনক উদ্ভাবন এই নীতির আলোকে করা হবে।’

এই কৃষিনীতিতে বলা হয়েছে, নিরাপদ ও কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ফসলের উৎপাদনশীলতা ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি করা এই নীতিমালার লক্ষ্য।

সচিব আরো বলেন, ‘কৃষি খাতে যে সমস্ত দুর্বলতা আছে, এ দুর্বলতাগুলো কাটানো হবে।’

এ ছাড়া আজকের মন্ত্রিসভার এই বৈঠকে বাংলাদেশ কৃষি একাডেমি আইন, ২০১৮-এর অনুমোদন দেওয়া হয়।