০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪

তিস্তার ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ

তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করায় রংপুরের গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়ায়,দেখা দিয়ে তীব্র ভাঙ্গন।তিস্তা নদীর পানি আস্তে আস্তে কমছে,ফলে বাড়ছে নদী ভাঙ্গন।এ দিকে চরাঞ্চলে মানুষ পড়ছে দুভোগ আর ভোগান্তিতে। ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি,ফসলি জমি ও চলাচলের দুইটি রাস্তা।তিস্তার অববাহিকার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে প্রতিদিনেই।

তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করায় ভাঙ্গছে নদীর পাড়।এর ফলে রংপুরের গঙ্গাচড়ার কেলকেন্দ ইউনিয়নের গোডাউনের হাট নামক স্থানে আর কাউনিয়াসহ প্রায় ১কিলোমিটার গোদাই,পাঞ্জরভাঙ্গা গ্রামসহ আশপাশের দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন।

নদী গভে বিলিন হচ্ছে ফসরী জমি।রাস্তা ও বাড়িঘরসহ জমির ফসলি ভেঙ্গে গেছে নদীর তলদেশে।আবার তিস্তার ভাঙ্গনে আর পানি উঠে প্রায় ১০০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা করছেন স্থানীরা।দুভোগ আর ভোগান্তিতে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের মানুষ।

স্থানীয় দুলু,কহিনুর বেগম,ইউনুস মিয়ার অভিযোগ পানি উন্নয়ন বোড শুকনো মৌসুমে বাধের কাজ না করায় ভাঙ্গনের কবলে পড়তে হচ্ছে তাদের। কিছু জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা করেন পানি উন্নয়ন বোড।এতে নদী ভাঙ্গন বন্ধ হচ্ছে না।মানুষের দুভোগ আর ভোগান্তি বাড়ছে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবাধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলছেন,ভাঙ্গন রোধে কাজ করছেন তারা।নদী ভাঙ্গনের কাজ চলমান রয়েছে।তিস্তার পানি কমতে শুরু করায় দেখা দিয়েছে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের অনেক স্থানে ভাঙ্গন।ভাঙ্গন রোধ করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/DS

ট্যাগ :

তিস্তার ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ

প্রকাশিত : ০৪:৫১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করায় রংপুরের গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়ায়,দেখা দিয়ে তীব্র ভাঙ্গন।তিস্তা নদীর পানি আস্তে আস্তে কমছে,ফলে বাড়ছে নদী ভাঙ্গন।এ দিকে চরাঞ্চলে মানুষ পড়ছে দুভোগ আর ভোগান্তিতে। ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি,ফসলি জমি ও চলাচলের দুইটি রাস্তা।তিস্তার অববাহিকার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে প্রতিদিনেই।

তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করায় ভাঙ্গছে নদীর পাড়।এর ফলে রংপুরের গঙ্গাচড়ার কেলকেন্দ ইউনিয়নের গোডাউনের হাট নামক স্থানে আর কাউনিয়াসহ প্রায় ১কিলোমিটার গোদাই,পাঞ্জরভাঙ্গা গ্রামসহ আশপাশের দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন।

নদী গভে বিলিন হচ্ছে ফসরী জমি।রাস্তা ও বাড়িঘরসহ জমির ফসলি ভেঙ্গে গেছে নদীর তলদেশে।আবার তিস্তার ভাঙ্গনে আর পানি উঠে প্রায় ১০০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা করছেন স্থানীরা।দুভোগ আর ভোগান্তিতে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের মানুষ।

স্থানীয় দুলু,কহিনুর বেগম,ইউনুস মিয়ার অভিযোগ পানি উন্নয়ন বোড শুকনো মৌসুমে বাধের কাজ না করায় ভাঙ্গনের কবলে পড়তে হচ্ছে তাদের। কিছু জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা করেন পানি উন্নয়ন বোড।এতে নদী ভাঙ্গন বন্ধ হচ্ছে না।মানুষের দুভোগ আর ভোগান্তি বাড়ছে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবাধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলছেন,ভাঙ্গন রোধে কাজ করছেন তারা।নদী ভাঙ্গনের কাজ চলমান রয়েছে।তিস্তার পানি কমতে শুরু করায় দেখা দিয়েছে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের অনেক স্থানে ভাঙ্গন।ভাঙ্গন রোধ করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/DS