চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সম্প্রতি গত ৯ সেপ্টেম্বর ভোরে একাধিক মামলার আসামি, চিহ্নিত থানার দালাল ও যুবলীগ নেতা সাইফুলকে (৩৫) আটক করে থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল স্থানীয় জনতা। ওইদিন সকাল ৮টার সময় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে থানা থেকে কৌশলে পালিয়ে যায় সাইফুল। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ফুঁসে ওঠেন ছাত্র সমাজসহ স্থানীয় জনতা। তারা ওইসময় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আল্টিমেটাম দেন। এ ঘটনায় সাথে সাথে থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ রাশেদুল ইসলাম, এসআই নাছিমা আক্তার, এসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল এম এনামুল হককে প্রত্যাহার করা হয়।
এরপর থেকে পলাতক সাইফুলকে গ্রেপ্তার করতে মাঠে নামেন থানা পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশের একটি টিম বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃত সাইফুল ইসলাম সজিব কলাউজান ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের বলিপাড়ার নজির আহমদের পুত্র।
লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, থানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান চলমান ছিল। এরই প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পার্শ্ববর্তী উপজেলা বাঁশখালী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে থানায় তিনটি মামলা রয়েছে।
তাকে চট্টগ্রামের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলেও জানান ওসি আরিফুর রহমান।




















