বাংলাদেশে কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩২ নম্বর বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়াসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বঙ্গবন্ধুর মোরাল ভাঙচুরের প্রতিবাদ জানিয়েছে কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশীরা।
সাম্প্রতিক কানাডার দ্বিতীয় বৃহত্তর নগরী মন্ট্রিয়েলে শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধন সমাবেশ এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
মন্ট্রিয়ালের সার্বজনীন জাতীয় শোক দিবস উদযাপন কমিটি এই মানববন্ধন সমাবেশের আয়োজন করে।
এ সময় বক্তারা বলেন, দল-মত নির্বিশেষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হবে। ইতিহাস বিকৃত করে, বিলুপ্ত করে কোন জাতি বিশ্ব নাগরিক হতে পারে না। সরকার আসবে সরকার যাবে কিন্তু বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার ইতিহাস এবং ঐতিহ্য ধ্বংস করার অধিকার কারো নেই। সরকার পতনের আন্দোলনের নামে বঙ্গবন্ধু জাদুকর ধ্বংস করা হয়, সাত বীরশ্রেষ্ঠের মোরাল ধ্বংস করা হয়, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে উঠে তার মাথায় বসে তার গালে চপেটাঘাত করা হয়। তখন কে দেশ পরিচালনা করছিল ? কে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল? সেনাবাহিনী তখন বলেছিল সেনাপ্রধান বলেছিলেন আমি দায়িত্ব নিলাম। কিন্তু সেনাবাহিনী এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শাহাদাত বার্ষিকীতে জাতীয় শোক প্রকাশনা করে সেখানে নতুন প্রজন্মের নামে কয়েক শ উশৃংখল ব্যক্তি লুঙ্গি ড্যান্স করে। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই আমরা। কোন সভ্য দেশে এ ধরনের আচরণ শোভা পায় না। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন নামে সারাদেশে যে লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগ হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ করার জন্য আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।
ইসরাত আলমের সঞ্চালনায় মানববন্ধন সমাবেশে আওয়ামী লীগের নেতা দিদার ভূঁইয়া, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক ও গবেষক তাজুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা রশিদ খান
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের হাসান জাহিদ কমল, সাজেদা হুসেন, তপন মাহমুদ ,
রুপা বড়ুয়া ,কবির মোল্লা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।




















