০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়নে পাসের হার কম’

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়ন করায় পাসের হার কমেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা মানসম্মত শিক্ষার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তাই পাসের হার কমলেও সকল খাতা যাতে সঠিকভাবে মূল্যায়ন হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। খাতা সঠিকভাবে মূল্যায়ন হবে- এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষা নিয়ে আমাদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল, অথচ বিজ্ঞানে এবার গত বারের তুলনায় ২৪ হাজার ৫৫১ জন পরীক্ষার্থী বেশি অংশগ্রহণ করে এবং গতবারের চেয়ে ১০ হাজার ৮৫৮ জন বেশি পাস করেছে। বরাবরের মতো এবারও মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এবার ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি পাস করেছে। পাসের হার কমলেও পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি জানান, কেউ পাস করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ৫৫টি। গত বছর ৭২টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছিল। এবার শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০০টি। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৫৩২টি।

বিদেশি সাতটি কেন্দ্রে এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে তাদের মধ্যে পাস করেছে ২৬৩ জন, পাসের হার ৯২ দশমিক ২৮, তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন পরীক্ষার্থী।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান, বিভন্ন শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা প্রমুখ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়নে পাসের হার কম’

প্রকাশিত : ০৪:২৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়ন করায় পাসের হার কমেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা মানসম্মত শিক্ষার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তাই পাসের হার কমলেও সকল খাতা যাতে সঠিকভাবে মূল্যায়ন হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। খাতা সঠিকভাবে মূল্যায়ন হবে- এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষা নিয়ে আমাদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল, অথচ বিজ্ঞানে এবার গত বারের তুলনায় ২৪ হাজার ৫৫১ জন পরীক্ষার্থী বেশি অংশগ্রহণ করে এবং গতবারের চেয়ে ১০ হাজার ৮৫৮ জন বেশি পাস করেছে। বরাবরের মতো এবারও মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এবার ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি পাস করেছে। পাসের হার কমলেও পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি জানান, কেউ পাস করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ৫৫টি। গত বছর ৭২টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছিল। এবার শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০০টি। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৫৩২টি।

বিদেশি সাতটি কেন্দ্রে এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে তাদের মধ্যে পাস করেছে ২৬৩ জন, পাসের হার ৯২ দশমিক ২৮, তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন পরীক্ষার্থী।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান, বিভন্ন শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা প্রমুখ।