চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ফরিয়াদিকুল থেকে জঙ্গল পদুয়ার মাঝামাঝি হাঙর খালের কয়েকটি স্থান ভাঙনের কারণে চরম আতঙ্কে রয়েছে প্রায় ৫ হাজার পরিবার। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই এসব ভাঙন সংস্কার করা না হলে খালের পানিতে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে বর্ষার দিন যতই ঘনিয়ে আসছে দুশ্চিন্তা বাড়ছে এসব এলাকার বাসিন্দাদের। তাই বর্ষার আগেই ভাঙন গুলো সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে সরজমিন পরিদর্শনকালে কয়েকটি ভাঙনের অংশ দেখা যায়। এসব ভাঙনের পাশে বাড়িঘর ও কৃষকদের ব্যাপক কৃষি জমি রয়েছে। ভারী বর্ষণ শুরু হলে ভাঙন অংশ দিয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করবে খালের পানি ও পাহাড়ি ঢল। এতে পার্শ্ববর্তী সিকদার পাড়া, দরগাহ মুড়া, মুন্সির পাড়া প্লাবিত হয়ে পদুয়া বাজার সহ কয়েকটি গ্রামের হাজারো ঘরবাড়ি, মৎস্য প্রজেক্ট ও কৃষি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।
পদুয়া ৩ নাম্বার ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মুহাম্মদ এহসান জানান, হাঙর খালের এসব ভাঙন বর্ষা মৌসুমের আগে সংস্কার করা না হলে কমপক্ষে ৫ হাজার পরিবার নি:স্ব হয়ে যাবে। তাই অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম জানান, খালের ভাঙনটি বর্ষা মৌসুমের আগেই সংস্কার করা না হলে শুধু একটি ওয়ার্ড নয়, পুরো ইউনিয়নের অর্ধের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কৃষকদের কৃষি জমি তলিয়ে যাবে। মাছের প্রজেক্ট গুলো ডুবে মানুষের কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হবে। তাই এমন ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে বর্ষা শুরুর আগেই ভেঙে যাওয়া অংশ গুলো দ্রুত সংস্কার করার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ জানান, পদুয়ায় হাঙর খালের ভাঙন কবলিত স্থান গুলো পরিদর্শন করে পরিমাপ করা হয়েছে। বরাদ্দ না পেলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে জরুরী ভিত্তিতে ভাঙন গুলো দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ডিএস./




















