০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাতকানিয়ায় থামছেনা মাটি কাটা, কমছে কৃষি জমি বাড়ছে জনসংখ্যা 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় কোন ভাবেই থামছেনা মাটি কাটা, মাঝেমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান চললেও বেপরোয়া মাটি কাটা সিন্ডিকেট।
এদিকে দিন দিন ফসলি জমির মাটি কাটায় কমছে কৃষি জমি,অন্যদিকে বাড়ছে জনসংখ্যা, এমনটি চলতে থাকলে এক সময় চাষাবাদের জন্য কোন জমি অবশিষ্ট থাকবে না।
প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিয়ম -নীতির তোয়াক্কা না করে কিছু সিন্ডিকেট প্রতিদিনই কাটছে কোথাও না কোথাও ফসলি জমির মাটি। স্কেভেটর দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল কেটে ভরাট করছে বিভিন্ন জায়গা ও পুকুর।এছাড়াও বেশিরভাগ মাটি কাটা হচ্ছে ব্রিক ফিল্ডের জন্য, সাতকানিয়া উপজেলায় বেশ কয়েকটা সিন্ডিকেট রয়েছে এরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিভিন্ন স্থান থেকে মাটি কাটছে এমনটাই বলছেন সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাতকানিয়া উপজেলার নলুয়া ঢেমশা,ছদাহা এলাকায় কৃষি জমি থেকে মাটি কাটা হয়েছে ২০থেকে ৩০ ফুট গভীর পর্যন্ত। বিভিন্ন টিভি এবং পত্রিকায় এই নিয়ে অনেক সংবাদ প্রচার হলেও এখনো বন্ধ হয়নি মাটি কাটা। রাতের বেলায় সবাই যখন ঘুমিয়ে যায় তখন মাটি খেকোদের দখলে থাকে উপজেলার কৃষি জমি গুলো। ড্রাম ট্রাক ও মিনি পিকআপের মাধ্যমে মহাসড়ক দিয়ে  মাটি নিয়ে যাওয়া হয় বিভিন্ন এলাকায়, এতে গাড়ি থেকে মাটি পড়ে সড়ক পিচ্ছিল হয় আর বৃষ্টি হলেই দুর্ঘটনা ঘটে।
উপজেলার কেওঁচিয়া ঢেমশা ছদাহা এলাকার বেশ কয়েকজনের কাছে মাটি কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে অনেকেই জানিয়েছেন গভীর রাতে মাটি কাটা চলে এ নিয়ে কেউ ভয়ে প্রতিবাদ করছেনা, কারণ তাদের রয়েছে সিন্ডিকেট। এছাড়া তারা বিভিন্ন দলের এবং প্রশাসন কে ম্যানেজ করে মাটি কাটছে, না হলে কেন মাটি কাটা বন্ধ হয়না,চাষাবাদ হয়েছে এমন জমির পাশ থেকেই মাটি কাটা হচ্ছে, ধান ক্ষেত ও ছাড় দিচ্ছে না তারা,আবার কিছু কিছু জমি থেকে মাটি কাটা হচ্ছে জমির মালিকও জানেনা। কৃষি জমি বাঁচাতে মাটি কাটা বন্ধ করা অতি প্রয়োজন, না হলে বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টি হলেই বন্যার সম্ভাবনা থাকে তখন অনেক ভিটে বাড়ি ধসে যাবে তাই মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের যথাযথ ভূমিকা রাখার দাবি জানান তারা ।
উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান জানান, ইতিমধ্য  তিন চারটা এলাকায় জনসচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান করেছি এতে উপজেলা প্রশাসন ও ছিল, আমরা তাদেরকে সতর্ক করেছি বিভিন্ন জায়গায় বিল- বোর্ড লাগিয়েছি আমার কাছে তো কাউকে আটক করার ক্ষমতা নাই, আমি উপজেলা প্রশাসনকে  অনুরোধ জানিয়েছি তাদের বিরুদ্ধে  আইনানুগ  ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।
রাতে মাটি কাটা হচ্ছে স্কেভেটর সহ মাটি কাটার স্থানে রয়েছে এটি বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন বিশ্বাস বলেন, আমরা প্রতি রাতে বের হয়, গতকাল রাতে ৪ টা পর্যন্ত মাঠে ছিলাম, কোন ধরনের মাটি কাটতে পারেনি কেউ এমন দাবী করেন তিনি।
ডিএস./
ট্যাগ :

৯ ফেব্রুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির

সাতকানিয়ায় থামছেনা মাটি কাটা, কমছে কৃষি জমি বাড়ছে জনসংখ্যা 

প্রকাশিত : ১২:৫৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় কোন ভাবেই থামছেনা মাটি কাটা, মাঝেমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান চললেও বেপরোয়া মাটি কাটা সিন্ডিকেট।
এদিকে দিন দিন ফসলি জমির মাটি কাটায় কমছে কৃষি জমি,অন্যদিকে বাড়ছে জনসংখ্যা, এমনটি চলতে থাকলে এক সময় চাষাবাদের জন্য কোন জমি অবশিষ্ট থাকবে না।
প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিয়ম -নীতির তোয়াক্কা না করে কিছু সিন্ডিকেট প্রতিদিনই কাটছে কোথাও না কোথাও ফসলি জমির মাটি। স্কেভেটর দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল কেটে ভরাট করছে বিভিন্ন জায়গা ও পুকুর।এছাড়াও বেশিরভাগ মাটি কাটা হচ্ছে ব্রিক ফিল্ডের জন্য, সাতকানিয়া উপজেলায় বেশ কয়েকটা সিন্ডিকেট রয়েছে এরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিভিন্ন স্থান থেকে মাটি কাটছে এমনটাই বলছেন সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাতকানিয়া উপজেলার নলুয়া ঢেমশা,ছদাহা এলাকায় কৃষি জমি থেকে মাটি কাটা হয়েছে ২০থেকে ৩০ ফুট গভীর পর্যন্ত। বিভিন্ন টিভি এবং পত্রিকায় এই নিয়ে অনেক সংবাদ প্রচার হলেও এখনো বন্ধ হয়নি মাটি কাটা। রাতের বেলায় সবাই যখন ঘুমিয়ে যায় তখন মাটি খেকোদের দখলে থাকে উপজেলার কৃষি জমি গুলো। ড্রাম ট্রাক ও মিনি পিকআপের মাধ্যমে মহাসড়ক দিয়ে  মাটি নিয়ে যাওয়া হয় বিভিন্ন এলাকায়, এতে গাড়ি থেকে মাটি পড়ে সড়ক পিচ্ছিল হয় আর বৃষ্টি হলেই দুর্ঘটনা ঘটে।
উপজেলার কেওঁচিয়া ঢেমশা ছদাহা এলাকার বেশ কয়েকজনের কাছে মাটি কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে অনেকেই জানিয়েছেন গভীর রাতে মাটি কাটা চলে এ নিয়ে কেউ ভয়ে প্রতিবাদ করছেনা, কারণ তাদের রয়েছে সিন্ডিকেট। এছাড়া তারা বিভিন্ন দলের এবং প্রশাসন কে ম্যানেজ করে মাটি কাটছে, না হলে কেন মাটি কাটা বন্ধ হয়না,চাষাবাদ হয়েছে এমন জমির পাশ থেকেই মাটি কাটা হচ্ছে, ধান ক্ষেত ও ছাড় দিচ্ছে না তারা,আবার কিছু কিছু জমি থেকে মাটি কাটা হচ্ছে জমির মালিকও জানেনা। কৃষি জমি বাঁচাতে মাটি কাটা বন্ধ করা অতি প্রয়োজন, না হলে বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টি হলেই বন্যার সম্ভাবনা থাকে তখন অনেক ভিটে বাড়ি ধসে যাবে তাই মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের যথাযথ ভূমিকা রাখার দাবি জানান তারা ।
উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান জানান, ইতিমধ্য  তিন চারটা এলাকায় জনসচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান করেছি এতে উপজেলা প্রশাসন ও ছিল, আমরা তাদেরকে সতর্ক করেছি বিভিন্ন জায়গায় বিল- বোর্ড লাগিয়েছি আমার কাছে তো কাউকে আটক করার ক্ষমতা নাই, আমি উপজেলা প্রশাসনকে  অনুরোধ জানিয়েছি তাদের বিরুদ্ধে  আইনানুগ  ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।
রাতে মাটি কাটা হচ্ছে স্কেভেটর সহ মাটি কাটার স্থানে রয়েছে এটি বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন বিশ্বাস বলেন, আমরা প্রতি রাতে বের হয়, গতকাল রাতে ৪ টা পর্যন্ত মাঠে ছিলাম, কোন ধরনের মাটি কাটতে পারেনি কেউ এমন দাবী করেন তিনি।
ডিএস./