০২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গ্রিন রেলওয়ের জন্য ৯৩ কোটি ৫১ লাখ টাকার প্রকল্প

পরিবেশবান্ধব গ্রিন রেল পরিবহনব্যবস্থা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে সরকার ৯৩ কোটি ৫১ লাখ টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রেলওয়ে ‘গ্রিন রেলওয়ে পরিবহন প্রস্তুতিমূলক কারিগরি সহায়তা’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। সম্প্রতি একনেক সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন করা হয়। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ২৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকার জোগান দেবে বাংলাদেশ সরকার। বাকি ৬৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা বিশ্বব্যাংকের আইডিএ থেকে প্রকল্প ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরের অধীন কমলাপুরের ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন, ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন, ফৌজদারহাট থেকে চট্টগ্রাম গুডস পোর্ট ইয়ার্ড (সিজিপিওয়াই), সিজিপিওয়াই থেকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার বে টার্মিনাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা পর্যন্ত এলাকা প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বিশ্বব্যাংক থেকে পাওয়া অর্থ বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে স্টেশন ভবনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও পুনর্নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা, বিদ্যমান কার্যকরী ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা স্থানান্তরের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা, কমলাপুর স্টেশনে মাল্টিমডাল পরিবহন হাব তৈরির জন্য স্টেশন বিল্ডিং ইয়ার্ড পুনর্নির্মাণসহ প্রকল্পের জন্য ব্যয় করা হবে।
এ ছাড়া প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে ফৌজদারহাট থেকে চট্টগ্রামের গুডস পোর্ট ইয়ার্ড ও বে টার্মিনাল পর্যন্ত রেল–সংযোগ স্থাপন এবং মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে উন্নত রেল–সংযোগ স্থাপন।
প্রকল্পের অংশ হিসেবে কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে ‘মাল্টিমডাল ট্রান্সপোর্ট হাব’ নির্মাণের সুবিধার্থে বিদ্যমান পরিচালনা-রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধাগুলো স্থানান্তরসহ স্টেশন বিল্ডিং ইয়ার্ডগুলো পুনর্নির্মাণের জন্য একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হবে।
ফৌজদারহাট থেকে চট্টগ্রামের গুডস পোর্ট ইয়ার্ড ও বে টার্মিনাল পর্যন্ত রেল–সংযোগ উন্নয়নের জন্য একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হবে।
মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে মালবাহী লোকোমোটিভ, ত্রাণ ট্রেন ও পরিবহনের ক্রয় এবং রেল–সংযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন মূল প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে।
গ্রিন রেল পরিবহনব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে চালু হলে কার্বন নির্গমন কম হবে, যা পরিবেশ দূষণ কমাতে সাহায্য করবে।
এর আগে বিশ্বব্যাংক ইস্যুকৃত এক পত্রে বলা হয়, তারা মূল বিনিয়োগ প্রকল্পের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রকল্পের অর্থায়নের পরিকল্পনা করছে।
ট্যাগ :

৯ ফেব্রুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির

গ্রিন রেলওয়ের জন্য ৯৩ কোটি ৫১ লাখ টাকার প্রকল্প

প্রকাশিত : ০৩:২৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
পরিবেশবান্ধব গ্রিন রেল পরিবহনব্যবস্থা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে সরকার ৯৩ কোটি ৫১ লাখ টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রেলওয়ে ‘গ্রিন রেলওয়ে পরিবহন প্রস্তুতিমূলক কারিগরি সহায়তা’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। সম্প্রতি একনেক সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন করা হয়। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ২৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকার জোগান দেবে বাংলাদেশ সরকার। বাকি ৬৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা বিশ্বব্যাংকের আইডিএ থেকে প্রকল্প ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরের অধীন কমলাপুরের ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন, ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন, ফৌজদারহাট থেকে চট্টগ্রাম গুডস পোর্ট ইয়ার্ড (সিজিপিওয়াই), সিজিপিওয়াই থেকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার বে টার্মিনাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা পর্যন্ত এলাকা প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বিশ্বব্যাংক থেকে পাওয়া অর্থ বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে স্টেশন ভবনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও পুনর্নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা, বিদ্যমান কার্যকরী ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা স্থানান্তরের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা, কমলাপুর স্টেশনে মাল্টিমডাল পরিবহন হাব তৈরির জন্য স্টেশন বিল্ডিং ইয়ার্ড পুনর্নির্মাণসহ প্রকল্পের জন্য ব্যয় করা হবে।
এ ছাড়া প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে ফৌজদারহাট থেকে চট্টগ্রামের গুডস পোর্ট ইয়ার্ড ও বে টার্মিনাল পর্যন্ত রেল–সংযোগ স্থাপন এবং মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে উন্নত রেল–সংযোগ স্থাপন।
প্রকল্পের অংশ হিসেবে কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে ‘মাল্টিমডাল ট্রান্সপোর্ট হাব’ নির্মাণের সুবিধার্থে বিদ্যমান পরিচালনা-রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধাগুলো স্থানান্তরসহ স্টেশন বিল্ডিং ইয়ার্ডগুলো পুনর্নির্মাণের জন্য একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হবে।
ফৌজদারহাট থেকে চট্টগ্রামের গুডস পোর্ট ইয়ার্ড ও বে টার্মিনাল পর্যন্ত রেল–সংযোগ উন্নয়নের জন্য একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হবে।
মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে মালবাহী লোকোমোটিভ, ত্রাণ ট্রেন ও পরিবহনের ক্রয় এবং রেল–সংযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন মূল প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে।
গ্রিন রেল পরিবহনব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে চালু হলে কার্বন নির্গমন কম হবে, যা পরিবেশ দূষণ কমাতে সাহায্য করবে।
এর আগে বিশ্বব্যাংক ইস্যুকৃত এক পত্রে বলা হয়, তারা মূল বিনিয়োগ প্রকল্পের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রকল্পের অর্থায়নের পরিকল্পনা করছে।