০৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১২ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ কেন্দ্রীয় খাদ্য পরিবহন ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে

বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার এসোসিয়েশন (রেজি-বি-১৯১০) এর বর্তমান কমিটিকে অবৈধ উল্লেখ করে এই কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১১ মে) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইলো খাদ্য গুদাম এলাকায় এক মতবিনিময় সভায় এ অভিযোগ করেন নব গঠিত কমিটির আহ্বায়ক আঃ হাই রাজু। এর আগে পূর্বের সভায় বিগত ১০ বছরে সমিতির আদায়কৃত অর্থ বর্তমান কমিটির নিকট হতে পুনঃরুদ্ধারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন এবং আগামী দিনে ঠিকাদারদের ব্যবসায়ীক স্বার্থ সংরক্ষনের লক্ষে ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে মো. আঃ হাই রাজুকে আহবায়ক, এম এম মো. আজিজুর স্বপন, এস এম আতাউর রহমান মল্লিক, মো. শাহ আলম, চৌধুরী মোহাম্মদ মমিনুল্লাহ’কে যুগ্ম-আহবায়ক এবং মো. জাহাঙ্গীর আলমকে সদস্য সচিব করা হয়। সভায় আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা দাবি করেন, বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি গত ২০১৫-২০১৬ ও ২০১৬-২০১৭ সালের জন্য নির্বাচিত হয়। তারা ৮ আট বছর যাবৎ নির্বাচন না দিয়ে অবৈধভাবে সমিতি পরিচালনা করছে। সমিতির সংবিধান অনুযায়ী সদস্যদের মাসিক চাঁদা দুইশত টাকা হারে নির্ধারিত রয়েছে। বিগত দশ বছরে ৬৪০ জন ঠিকাদার হতে মোট ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা মাসিক চাঁদা আদায় করেছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে সদস্যদের উন্নয়নমূলক কাজের অযুহাতে দীর্ঘ দশ বছরে প্রায় ১২ কোটি টাকা সাধারণ সদস্যদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আদায় করেছে। আর অবৈধ টাকা আদায়ের নেতৃত্ব দেয় সমিতির অবৈধ সাধারণ সম্পাদক কাজী সাহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি ফজলুল আজিজ খাঁন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আলীনুর, কোষাধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদ ও প্রচার সম্পাদক মো. কেরামত আলী সহ আরো অনেকে। তাদের অপকর্ম থেকে সমিতিকে পুনঃরুদ্ধার করার লক্ষে আঃ হাই রাজুর আহ্বানে সাধারণ ঠিকাদারদের (সদস্য) নিয়ে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

ট্যাগ :

৯ ফেব্রুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির

১২ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ কেন্দ্রীয় খাদ্য পরিবহন ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত : ০৮:০৪:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার এসোসিয়েশন (রেজি-বি-১৯১০) এর বর্তমান কমিটিকে অবৈধ উল্লেখ করে এই কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১১ মে) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইলো খাদ্য গুদাম এলাকায় এক মতবিনিময় সভায় এ অভিযোগ করেন নব গঠিত কমিটির আহ্বায়ক আঃ হাই রাজু। এর আগে পূর্বের সভায় বিগত ১০ বছরে সমিতির আদায়কৃত অর্থ বর্তমান কমিটির নিকট হতে পুনঃরুদ্ধারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন এবং আগামী দিনে ঠিকাদারদের ব্যবসায়ীক স্বার্থ সংরক্ষনের লক্ষে ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে মো. আঃ হাই রাজুকে আহবায়ক, এম এম মো. আজিজুর স্বপন, এস এম আতাউর রহমান মল্লিক, মো. শাহ আলম, চৌধুরী মোহাম্মদ মমিনুল্লাহ’কে যুগ্ম-আহবায়ক এবং মো. জাহাঙ্গীর আলমকে সদস্য সচিব করা হয়। সভায় আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা দাবি করেন, বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি গত ২০১৫-২০১৬ ও ২০১৬-২০১৭ সালের জন্য নির্বাচিত হয়। তারা ৮ আট বছর যাবৎ নির্বাচন না দিয়ে অবৈধভাবে সমিতি পরিচালনা করছে। সমিতির সংবিধান অনুযায়ী সদস্যদের মাসিক চাঁদা দুইশত টাকা হারে নির্ধারিত রয়েছে। বিগত দশ বছরে ৬৪০ জন ঠিকাদার হতে মোট ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা মাসিক চাঁদা আদায় করেছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে সদস্যদের উন্নয়নমূলক কাজের অযুহাতে দীর্ঘ দশ বছরে প্রায় ১২ কোটি টাকা সাধারণ সদস্যদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আদায় করেছে। আর অবৈধ টাকা আদায়ের নেতৃত্ব দেয় সমিতির অবৈধ সাধারণ সম্পাদক কাজী সাহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি ফজলুল আজিজ খাঁন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আলীনুর, কোষাধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশিদ ও প্রচার সম্পাদক মো. কেরামত আলী সহ আরো অনেকে। তাদের অপকর্ম থেকে সমিতিকে পুনঃরুদ্ধার করার লক্ষে আঃ হাই রাজুর আহ্বানে সাধারণ ঠিকাদারদের (সদস্য) নিয়ে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।