১০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল: ট্রাম্প

ছবি সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ইসরায়েল সম্মতি জানিয়েছে এবং এখন তিনি হামাসকে এই প্রস্তাব গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

এই ঘোষণার মধ্যেই গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় আরও ১০৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৮ জন ছিলেন যারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমর্থনে পরিচালিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে খাবারের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

উত্তর গাজার সবচেয়ে বড় চিকিৎসাকেন্দ্র আল-শিফা হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানির ঘাটতির কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শত শত রোগী মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছেন। ইসরায়েলের অবরোধের ফলে হাসপাতালের সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান ইসরায়েলি অভিযানে এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজার ৬৪৭ জন নিহত এবং এক লাখ ৩৪ হাজার ১০৫ জন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে, গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে এক হাজার ১৩৯ জন নিহত হন এবং ২০০-রও বেশি মানুষকে জিম্মি করা হয়।

এদিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত বিতর্কিত গাজা হিউম্যানটারিয়ান ফাউন্ডেশন বা জিএইচএফ এর কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছে ১৩০টিরও বেশি সাহায্য সংস্থা ও আরও কিছু এনজিও। যেসব সংস্থা বিতর্কিত এই সংস্থাটির কার্যক্রম বন্ধের দাবি করেছে তার মধ্যে অক্সফাম, সেভ দ্য চিলড্রেন ও অ্যামনেস্টির মতো সংস্থাও রয়েছে।

সংস্থাগুলো বলছে, জিএইচএফ’র সাহায্যপ্রার্থী ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি সেনা ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নিয়মিতই গুলি চালাচ্ছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থকে জানা গেছে, মে মাসের শেষ দিকে এই সংস্থাটি গাজায় কার্যক্রম শুরুর পর থেকে প্রায় ৫০০ ফিলিস্তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় চার হাজার মানুষ।

সূত্র: আল-জাজিরা

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল: ট্রাম্প

প্রকাশিত : ০৯:৩৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ইসরায়েল সম্মতি জানিয়েছে এবং এখন তিনি হামাসকে এই প্রস্তাব গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

এই ঘোষণার মধ্যেই গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় আরও ১০৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৮ জন ছিলেন যারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমর্থনে পরিচালিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে খাবারের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

উত্তর গাজার সবচেয়ে বড় চিকিৎসাকেন্দ্র আল-শিফা হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানির ঘাটতির কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শত শত রোগী মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছেন। ইসরায়েলের অবরোধের ফলে হাসপাতালের সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান ইসরায়েলি অভিযানে এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজার ৬৪৭ জন নিহত এবং এক লাখ ৩৪ হাজার ১০৫ জন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে, গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে এক হাজার ১৩৯ জন নিহত হন এবং ২০০-রও বেশি মানুষকে জিম্মি করা হয়।

এদিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত বিতর্কিত গাজা হিউম্যানটারিয়ান ফাউন্ডেশন বা জিএইচএফ এর কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছে ১৩০টিরও বেশি সাহায্য সংস্থা ও আরও কিছু এনজিও। যেসব সংস্থা বিতর্কিত এই সংস্থাটির কার্যক্রম বন্ধের দাবি করেছে তার মধ্যে অক্সফাম, সেভ দ্য চিলড্রেন ও অ্যামনেস্টির মতো সংস্থাও রয়েছে।

সংস্থাগুলো বলছে, জিএইচএফ’র সাহায্যপ্রার্থী ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি সেনা ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নিয়মিতই গুলি চালাচ্ছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থকে জানা গেছে, মে মাসের শেষ দিকে এই সংস্থাটি গাজায় কার্যক্রম শুরুর পর থেকে প্রায় ৫০০ ফিলিস্তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় চার হাজার মানুষ।

সূত্র: আল-জাজিরা

ডিএস./