০৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি জাগাতে রংপুরের দেয়ালে দেয়ালে তারুণ্যের তুলির আঁচড়

ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি ঘিরে রংপুর শহর সেজেছে শিল্পের রঙে। “আমার চোখে জুলাই বিপ্লব” শিরোনামে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে শহরের গুরুত্বপূর্ণ দেয়ালগুলোতে ফুটে উঠছে জুলাইয়ের বীরত্বগাথা ও গণজাগরণের মুহূর্তগুলো।রংপুর পুলিশ লাইনস স্কুল, লায়ন্স স্কুল, কালেক্টরেট স্কুল, জিলা স্কুলসহ শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী হাতে তুলির আঁচড়ে আঁকছেন স্বাধীনতা ও ন্যায়ের স্বপ্ন।

শনিবার সকাল থেকে চিত্রাঙ্কনের কাজ করছেন শিক্ষাথীরা।এসময় নগনীর কাচারী বাজার,জেলা পরিষদ,পৌরবাজার,জাহাজ কোম্পানির মোড়,শাপলা চত্বর,ধাপ বাজার মোড়সহ বিভিন্ন   দেওয়ালে চিত্রাঙ্কন করা হচ্ছে।

চিত্রাঙ্কনের প্রতিযোগিতার মূল আয়োজন করেছে তরুণদের সংগঠন ‘তারুণ্যের শক্তি।এতে সমন্বয় করছেন মোঃ আলমগীর ইসলাম ইমন, মোঃ মোরশেদ আলম ও মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম মেরাজসহ আহত যোদ্ধারা।আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগ শুধু একটি শিল্প প্রতিযোগিতা নয়; বরং এটি নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানানো ও অনুপ্রাণিত করার এক অনন্য প্রয়াস।

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন ও সরকারের যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী আয়োজিত এই চিত্রাঙ্কন কর্মসূচির লক্ষ্য-জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও ইতিহাসকে নতুনভাবে মানুষের মনে গেঁথে দেওয়া। দেয়ালে আঁকা গ্রাফিতি ও চিত্রগুলোতে ফুটে উঠছে প্রতিবাদের আগুন, মানুষের ঐক্য, এবং সেই সময়কার বীরত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

আয়োজক মোঃ মোরশেদ আলম জানান, আন্দোলনের স্মৃতি ধীরে ধীরে প্রজন্মের স্মৃতি থেকে মুছে যাচ্ছে। তাই এমন কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে ঐতিহাসিক সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।প্রতিটি আঁচড় যেন গল্প বলে-একদল সাধারণ মানুষ কীভাবে অদম্য সাহসে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও এ উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত। তাদের ভাষায়, দেয়ালে ছবি আঁকা শুধু শিল্পচর্চা নয়; বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন। রংপুর শহরের যেকোনো প্রান্তে চোখ পড়লেই এখন মনে করিয়ে দিচ্ছে জুলাইয়ের সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা।

এই আয়োজনের মাধ্যমে আয়োজকরা আশা করছেন, ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু পাঠ্যপুস্তকের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং মানুষের হৃদয়েও স্থায়ীভাবে জায়গা করে নেবে।

ডিএস./

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি জাগাতে রংপুরের দেয়ালে দেয়ালে তারুণ্যের তুলির আঁচড়

প্রকাশিত : ০৫:২৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি ঘিরে রংপুর শহর সেজেছে শিল্পের রঙে। “আমার চোখে জুলাই বিপ্লব” শিরোনামে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে শহরের গুরুত্বপূর্ণ দেয়ালগুলোতে ফুটে উঠছে জুলাইয়ের বীরত্বগাথা ও গণজাগরণের মুহূর্তগুলো।রংপুর পুলিশ লাইনস স্কুল, লায়ন্স স্কুল, কালেক্টরেট স্কুল, জিলা স্কুলসহ শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী হাতে তুলির আঁচড়ে আঁকছেন স্বাধীনতা ও ন্যায়ের স্বপ্ন।

শনিবার সকাল থেকে চিত্রাঙ্কনের কাজ করছেন শিক্ষাথীরা।এসময় নগনীর কাচারী বাজার,জেলা পরিষদ,পৌরবাজার,জাহাজ কোম্পানির মোড়,শাপলা চত্বর,ধাপ বাজার মোড়সহ বিভিন্ন   দেওয়ালে চিত্রাঙ্কন করা হচ্ছে।

চিত্রাঙ্কনের প্রতিযোগিতার মূল আয়োজন করেছে তরুণদের সংগঠন ‘তারুণ্যের শক্তি।এতে সমন্বয় করছেন মোঃ আলমগীর ইসলাম ইমন, মোঃ মোরশেদ আলম ও মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম মেরাজসহ আহত যোদ্ধারা।আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগ শুধু একটি শিল্প প্রতিযোগিতা নয়; বরং এটি নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানানো ও অনুপ্রাণিত করার এক অনন্য প্রয়াস।

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন ও সরকারের যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী আয়োজিত এই চিত্রাঙ্কন কর্মসূচির লক্ষ্য-জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও ইতিহাসকে নতুনভাবে মানুষের মনে গেঁথে দেওয়া। দেয়ালে আঁকা গ্রাফিতি ও চিত্রগুলোতে ফুটে উঠছে প্রতিবাদের আগুন, মানুষের ঐক্য, এবং সেই সময়কার বীরত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

আয়োজক মোঃ মোরশেদ আলম জানান, আন্দোলনের স্মৃতি ধীরে ধীরে প্রজন্মের স্মৃতি থেকে মুছে যাচ্ছে। তাই এমন কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে ঐতিহাসিক সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।প্রতিটি আঁচড় যেন গল্প বলে-একদল সাধারণ মানুষ কীভাবে অদম্য সাহসে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও এ উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত। তাদের ভাষায়, দেয়ালে ছবি আঁকা শুধু শিল্পচর্চা নয়; বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন। রংপুর শহরের যেকোনো প্রান্তে চোখ পড়লেই এখন মনে করিয়ে দিচ্ছে জুলাইয়ের সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা।

এই আয়োজনের মাধ্যমে আয়োজকরা আশা করছেন, ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু পাঠ্যপুস্তকের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং মানুষের হৃদয়েও স্থায়ীভাবে জায়গা করে নেবে।

ডিএস./