০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম প্রয়াণ দিবস আজ

বাংলা সাহিত্যের আকাশে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ৪৯তম প্রয়াণ দিবস আজ। ১৯৭৬ সালের এই দিনে, বাংলা ১৩৮৩ সালের ১২ ভাদ্র, ঢাকার পিজি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে সমাহিত করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে, যেখানে আজও তাঁর স্মৃতির ফুল ফোটে শ্রদ্ধার অঞ্জলিতে।

নজরুল ছিলেন কেবল বিদ্রোহী কবি নন তিনি ছিলেন প্রেমের, মানবতার ও অসাম্প্রদায়িকতার অগ্নিস্বর। তাঁর কলমের ডগা ছুঁয়ে গেছে মুক্তির সুর, সাম্যের ডাক, আর অবিচারের বিরুদ্ধে সাহসী গর্জন। তিনি প্রজন্মকে শিখিয়েছেন মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে, ভেদাভেদ ভুলে মানুষের পাশে দাঁড়াতে।

১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি-লিট সম্মাননা প্রদান করে। ১৯৭৬ সালে তিনি পান বাংলাদেশের নাগরিকত্ব এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক পান।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের শিখিয়েছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে ভয় নেই, ভালোবাসা ও সাম্যের জয় অনিবার্য। তাঁর বিদ্রোহী চেতনা, মানবতার বাণী ও প্রেমের সঙ্গীত যুগে যুগে আমাদের প্রেরণা জুগিয়ে যাবে।

তার   উল্লেখযোগ্য কিছু কবিতা, গল্প ও অন্যান্য সাহিত্যকর্ম

উল্লেখযোগ্য কবিতা

বিদ্রোহী (১৯২২) ,কামাল পাশা,কাণ্ডারী হুঁশিয়ার,চির-অপরাজিতা ,মা ,দুর্দিনের যাত্রী।

কবিতা সংকলন

অগ্নিবীণা (১৯২২),দোলন-চাঁপা (১৯২৩),বিষের বাঁশি (১৯২৪) ,ভাঙার গান (১৯২৪),চক্রবাক (১৯২৯),সঞ্চিতা।

উল্লেখযোগ্য গল্প

ব্যথার দান ,মৃত্যুক্ষুধা,শিউলি মালা ,ঘুমের ঘোরে।

নাটক
ঝিলমিল ,পুতুলের বিয়ে ,আলেয়া।

গান ও সংগীতকর্ম

তিনি ৩,০০০ এর বেশি গান লিখেছেন ও সুর করেছেন।

ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে,দুর্গম গিরি কান্তার মরু,করুণার আলোকে ,মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বাংলা সাহিত্যের নয়, সমগ্র সমাজের চেতনাকে উদ্দীপ্ত করেছেন। আজকের এই স্মরণোৎসবে তাঁর বিদ্রোহী চেতনা, মানবতাবাদী দৃষ্টি ও সাম্যের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করে দেয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো ও মানুষের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়া কখনো বন্ধ হওয়া উচিত নয়। তাঁর সাহিত্য ও গান আমাদের পথপ্রদর্শক হিসেবে  বেঁচে থাকবে চিরকাল।

ডিএস./

 

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম প্রয়াণ দিবস আজ

প্রকাশিত : ১০:৪৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

বাংলা সাহিত্যের আকাশে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ৪৯তম প্রয়াণ দিবস আজ। ১৯৭৬ সালের এই দিনে, বাংলা ১৩৮৩ সালের ১২ ভাদ্র, ঢাকার পিজি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে সমাহিত করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে, যেখানে আজও তাঁর স্মৃতির ফুল ফোটে শ্রদ্ধার অঞ্জলিতে।

নজরুল ছিলেন কেবল বিদ্রোহী কবি নন তিনি ছিলেন প্রেমের, মানবতার ও অসাম্প্রদায়িকতার অগ্নিস্বর। তাঁর কলমের ডগা ছুঁয়ে গেছে মুক্তির সুর, সাম্যের ডাক, আর অবিচারের বিরুদ্ধে সাহসী গর্জন। তিনি প্রজন্মকে শিখিয়েছেন মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে, ভেদাভেদ ভুলে মানুষের পাশে দাঁড়াতে।

১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি-লিট সম্মাননা প্রদান করে। ১৯৭৬ সালে তিনি পান বাংলাদেশের নাগরিকত্ব এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক পান।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের শিখিয়েছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে ভয় নেই, ভালোবাসা ও সাম্যের জয় অনিবার্য। তাঁর বিদ্রোহী চেতনা, মানবতার বাণী ও প্রেমের সঙ্গীত যুগে যুগে আমাদের প্রেরণা জুগিয়ে যাবে।

তার   উল্লেখযোগ্য কিছু কবিতা, গল্প ও অন্যান্য সাহিত্যকর্ম

উল্লেখযোগ্য কবিতা

বিদ্রোহী (১৯২২) ,কামাল পাশা,কাণ্ডারী হুঁশিয়ার,চির-অপরাজিতা ,মা ,দুর্দিনের যাত্রী।

কবিতা সংকলন

অগ্নিবীণা (১৯২২),দোলন-চাঁপা (১৯২৩),বিষের বাঁশি (১৯২৪) ,ভাঙার গান (১৯২৪),চক্রবাক (১৯২৯),সঞ্চিতা।

উল্লেখযোগ্য গল্প

ব্যথার দান ,মৃত্যুক্ষুধা,শিউলি মালা ,ঘুমের ঘোরে।

নাটক
ঝিলমিল ,পুতুলের বিয়ে ,আলেয়া।

গান ও সংগীতকর্ম

তিনি ৩,০০০ এর বেশি গান লিখেছেন ও সুর করেছেন।

ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে,দুর্গম গিরি কান্তার মরু,করুণার আলোকে ,মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বাংলা সাহিত্যের নয়, সমগ্র সমাজের চেতনাকে উদ্দীপ্ত করেছেন। আজকের এই স্মরণোৎসবে তাঁর বিদ্রোহী চেতনা, মানবতাবাদী দৃষ্টি ও সাম্যের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করে দেয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো ও মানুষের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়া কখনো বন্ধ হওয়া উচিত নয়। তাঁর সাহিত্য ও গান আমাদের পথপ্রদর্শক হিসেবে  বেঁচে থাকবে চিরকাল।

ডিএস./