ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এর কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি পদে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন ক্রিকেটার মোহাম্মদ মিঠুন। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২১৫ জন ভোটারের মধ্যে অনলাইনে ১৩০ এবং সরাসরি ভোট দিয়েছেন ১৯০ জন। সব মিলিয়ে ২১৫ জন ক্রিকেটারের ভোটাধিকার ছিল। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১৯০ জন। মিঠুন পেয়েছেন ১৫৪ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক ক্রিকেটার ও ম্যাচ রেফারি সেলিম শাহেদ পেয়েছেন ৩৪ ভোট, আর দুটি ভোট বাতিল হয়েছে।
১১টি পদের মধ্যে ১০টিতেই প্রার্থী ছিলেন একজন করে, ফলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। একমাত্র সভাপতি পদেই হয়েছে ভোটগ্রহণ।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সিনিয়র সহসভাপতি হয়েছেন সাবেক ওপেনার শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ এবং সহসভাপতি হয়েছেন নুরুল হাসান সোহান। এবার গঠনতন্ত্র সংশোধন করে সাধারণ সম্পাদকের পদ বাদ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন খালেদ মাসুদ পাইলট, শামসুর রহমান শুভ, ইমরুল কায়েস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, রুমানা আহমেদ, ইরফান শুক্কুর ও আকবর আলি।
প্রায় ১১ বছর ধরে সভাপতি ছিলেন সাবেক অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয় এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার দেবব্রত পাল।
গত বছরের আগস্টে সরকার ও ক্রিকেট বোর্ডে পরিবর্তনের পর কোয়াবেও পরিবর্তন আসে। নাঈমুর ও দেবব্রত সরে দাঁড়ালে সেলিম শাহেদকে আহ্বায়ক করে নতুন কমিটি গঠন হয়। সাম্প্রতিক সময়ে সেলিম শাহেদ, তামিম ইকবাল ও মিঠুনদের প্রচেষ্টায় বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটাররা সংগঠনে সক্রিয় হয়ে ওঠেন।
নির্বাচনে জয়ী হয়ে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত মিঠুন জানান, আমরা সবাই মিলেই একটি পরিবারের মতো। এখানে কোনো দূরত্ব, বিভেদ থাকার কথা নয়। বিসিবি আমাদের অভিভাবক। আমরা আমাদের যে কোনো প্রয়োজন, যে কোনো দাবি তাদের কাছে জানাতেই পারি। আশা করি, বিসিবি সেটা ইতিবাচকভাবেই নেবে।
গত বছরের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁরা যাঁর যাঁর পদ থেকে সরে দাঁড়ান। পরে সেলিম শাহেদকে আহ্বায়ক করে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়ছিল। তাঁদের কাছ থেকেই দায়িত্ব বুঝে নেবে কোয়াবের নতুন কমিটি।
নতুন নেতৃত্বের হাতে কোয়াবের কার্যক্রম আরও সক্রিয় হয়ে ক্রিকেটারদের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডিএস./





















