১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

এরদোয়ানের পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল তুরস্ক

বিরোধী দলের ওপর সরকারের দমনপীড়নের অভিযোগে উত্তাল তুরস্কের রাজনীতি। রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানী আঙ্কারায় প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির বিশাল সমাবেশে যোগ দেন লাখো মানুষ। সমাবেশে এরদোয়ান সরকারের পদত্যাগ দাবি করেন বিরোধী নেতারা।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, আঙ্কারার তানদোগান স্কয়ারে এক বিশাল সমাবেশ করে রিপাবলিকান পিপলস পার্টি-সিএইচপি। যেখানে সমবেত হন কয়েক লাখ মানুষ। হাতে তুর্কি পতাকা আর দলীয় ব্যানার নিয়ে এরদোয়ান সরকারের পদত্যাগের দাবি জানান তারা।

গত কয়েক মাসে সিএইচপি-র একাধিক মেয়র এবং শতাধিক পৌর কর্মচারীকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ইস্তাম্বুলের মেয়র এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী একরেম ইমামোগলুও।

সিএইচপির দাবি, এসব গ্রেপ্তার এবং দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা। বিরোধী দলকে দুর্বল করতেই পরিকল্পিত অবৈধ অভিযান চালাচ্ছে সরকার। যা এরদোয়ানের আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করবে।

এদিনে আন্দোলনের মঞ্চে দাড়িয়ে দলীয় নেতা ওজগুর ওজেল বলেন, এই মামলাগুলো রাজনৈতিক। গ্রেফতার নেতারা নির্দোষ বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে এরদোয়ান সরকার জানায়, তুরস্কের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন এবং তারা আইন অনুযায়ী কাজ করছে।

এদিকে, তুরস্কের কংগ্রেস বাতিল চেয়ে ২০২৩ সালে করা মামলার রায় হওয়ার কথা আজ। কংগ্রেস বাতিল হলে সিএইচপি’র নেতৃত্ব বদল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল, যা দলটিকে অভ্যন্তরীণ সংকটে ফেলবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

এরদোয়ানের পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল তুরস্ক

প্রকাশিত : ০২:০৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিরোধী দলের ওপর সরকারের দমনপীড়নের অভিযোগে উত্তাল তুরস্কের রাজনীতি। রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানী আঙ্কারায় প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির বিশাল সমাবেশে যোগ দেন লাখো মানুষ। সমাবেশে এরদোয়ান সরকারের পদত্যাগ দাবি করেন বিরোধী নেতারা।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, আঙ্কারার তানদোগান স্কয়ারে এক বিশাল সমাবেশ করে রিপাবলিকান পিপলস পার্টি-সিএইচপি। যেখানে সমবেত হন কয়েক লাখ মানুষ। হাতে তুর্কি পতাকা আর দলীয় ব্যানার নিয়ে এরদোয়ান সরকারের পদত্যাগের দাবি জানান তারা।

গত কয়েক মাসে সিএইচপি-র একাধিক মেয়র এবং শতাধিক পৌর কর্মচারীকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন ইস্তাম্বুলের মেয়র এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী একরেম ইমামোগলুও।

সিএইচপির দাবি, এসব গ্রেপ্তার এবং দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা। বিরোধী দলকে দুর্বল করতেই পরিকল্পিত অবৈধ অভিযান চালাচ্ছে সরকার। যা এরদোয়ানের আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করবে।

এদিনে আন্দোলনের মঞ্চে দাড়িয়ে দলীয় নেতা ওজগুর ওজেল বলেন, এই মামলাগুলো রাজনৈতিক। গ্রেফতার নেতারা নির্দোষ বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে এরদোয়ান সরকার জানায়, তুরস্কের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন এবং তারা আইন অনুযায়ী কাজ করছে।

এদিকে, তুরস্কের কংগ্রেস বাতিল চেয়ে ২০২৩ সালে করা মামলার রায় হওয়ার কথা আজ। কংগ্রেস বাতিল হলে সিএইচপি’র নেতৃত্ব বদল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল, যা দলটিকে অভ্যন্তরীণ সংকটে ফেলবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

ডিএস./