আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারকে কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে মনোনয়ন দেয়ার পর দলীয় নেতা কর্মীরা যখন রাষ্ট্র কাঠামো ৩১ দফা নিয়ে জনগনের দ্বার প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছে ঠিক তখনই জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিনের কিছু সংখ্যক সমর্থকরা প্রতিবাদে মশাল মিছিল, মানববন্ধন করার পাশাপাশি অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন নিজেই সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করেছেন। এতে করে নতুন করে কুষ্টিয়া সদর আসনে বিএনপির নেতা কর্মীদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। তবে অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন দল থেকে মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করবেন কি না এ প্রশ্নের জবাবে বলেন, এলাকার মানুষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি কাজ করবেন।
এদিকে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠন প্র্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে কুষ্টিয়া-৩ আসনের প্রত্যান্ত এলাকায় জাকির হেসেন সরকারে ছবিসহ ধানের শীষের পোষ্টার, ফেষ্টুন ও বিল বোর্ড লাগিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা অব্যাহত রেখেছেন। অপর দিকে অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন তিনিও গ্রামে গ্রামে সভা সমাবেশ অব্যাহত রেখেছেন। যে কারনেই কুষ্টিয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোন দলীয় নির্দেশই দলীয় নেতা কর্মীরা মানছেন না।
রবিবার ২৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া প্রেস কাবে অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভা করেন। তিনি এ সময় জানান, আমি বিএনপি করি, বিএনপির বাহিরে নয়। মনোনয়ন নিয়ে আমাকে যারা ভালোবাসে তারা আন্দোলন করছে। কারণ সাধারণ জনগণ জনতো কুষ্টিয়ায় মনোনয়ন তিনিই পাবেন। দলীয় ভাবে তিনি মনোনয়ন না পেলে সাধারণ জনগন যে সিদ্ধান্ত দিবেন তিনি জনগনের সিদ্ধান্ত মেনে নিবেন।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যারা দাবি করছেন তারাও দলের ত্যাগী নেতা। আমি এটাকে খুব একটা নেগেটিভ হিসেবে দেখছি না। বিএনপি একটি অনেক বড় দল। এখানে একাধিক যোগ্য নেতা রয়েছেন। তাই ক্ষোভ অভিমান থাকতেই পারে। এগুলো নিরসনে দলের প থেকে আমরা কাজ করছি। সবার সঙ্গে কথা বলছি। আশা করছি রাগ-ােভ যাই থাকুক না কেন, দিন শেষে নেতাকর্মীরা সবাই একজোট হয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন।
ডিএস./




















