ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধস বিজয়ের পর গঠিত হতে যাওয়া নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় কুমিল্লার তিন শক্তিশালী রাজনৈতিক মুখের অন্তর্ভুক্তি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়এটি জেলার জন্য একটি বড় রাজনৈতিক স্বীকৃতি।
এই তিন নেতা হলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন।
শপথের ডাকেই বদলে গেল কুমিল্লার রাজনীতির চিত্র, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে টেলিফোনে তাদের শপথের আমন্ত্রণ জানানো হলে মুহূর্তেই কুমিল্লার রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি পারিবারিক ও দলীয় ঘনিষ্ঠ সূত্র নিশ্চিত করেছে।
তিনজন, তিন রকম রাজনৈতিক শক্তি নতুন মন্ত্রিসভায় আমিনুর রশিদ ইয়াছিন টেকনোক্র্যাট কোটায় যুক্ত হচ্ছেন যা প্রশাসনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক আস্থার সমন্বয়।
অন্যদিকে কায়কোবাদ ও সুমন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি জনগণের রায় নিয়ে মন্ত্রিসভায় প্রবেশ করছেন—যা তাদের রাজনৈতিক ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করছে।
বিকেলে শপথ, রাতেই উৎসব আজ বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগেই কুমিল্লার মুরাদনগর, সদর ও দক্ষিণাঞ্চলে শুরু হয়ে গেছে আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দনের ঝড়।
দীর্ঘ ২০ বছরের অপেক্ষার অবসান দীর্ঘ দের দশকের বেশি সময় পর কুমিল্লা আবারও বিএনপি সরকারের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে শক্ত অবস্থান ফিরে পেল। স্থানীয়দের মতে, এই তিন মন্ত্রী জেলার অবকাঠামো, শিল্প ও কর্মসংস্থানে বড় পরিবর্তনের দ্বার খুলে দিতে পারেন।
এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও কুমিল্লার কৃতি সন্তান ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন–কে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত করার সম্ভাবনাও রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সব মিলিয়ে, কুমিল্লার রাজনীতিতে এটি শুধু একটি মন্ত্রিসভা গঠন নয় এটি একটি রাজনৈতিক পুনর্জাগরণ।
ডিএস./























