০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্রলীগের জটিকা মিছিল,সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা, গ্রেফতার — ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ‘ঝটিকা মিছিল’-এর ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আবু বক্কর রিফাত (২৫) নামের এক পৌর ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে শহরের মেড্ডা এলাকা থেকে সদর মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আবু বক্কর রিফাত নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পাইকপাড়া এলাকায় বসবাস করেন এবং পৌর ছাত্রলীগের একজন পরিচিত নেতা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পরপরই জড়িতদের ধরতে অভিযানে নামে সদর মডেল থানা পুলিশ। ওইদিন রাতেই সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয়েছে ১নং শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নাসিরকে।

এর আগে, মঙ্গলবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকার কোকিল টেক্সটাইল মোড় থেকে সমাজসেবা অফিস পর্যন্ত একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ‘রাজবন্দীদের মুক্তির দাবি’তে আয়োজিত এই মিছিলটির নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কমিটির সদস্য লিমন আল স্বাধীন। দেশে প্রকাশ্যে একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের এমন কর্মসূচি পালনের ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা ও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এদিকে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এই ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে রাজপথে নেমে আসেন জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তারা শহরে তীব্র বিক্ষোভ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোডাউন করেন। একপর্যায়ে ছাত্রলীগের মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা ঘেরাও করেন বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

 

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সাতকানিয়ায় বিধবা নারীর সম্পত্তি দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্রলীগের জটিকা মিছিল,সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা, গ্রেফতার — ১

প্রকাশিত : ০৫:২৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ‘ঝটিকা মিছিল’-এর ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আবু বক্কর রিফাত (২৫) নামের এক পৌর ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে শহরের মেড্ডা এলাকা থেকে সদর মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আবু বক্কর রিফাত নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পাইকপাড়া এলাকায় বসবাস করেন এবং পৌর ছাত্রলীগের একজন পরিচিত নেতা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পরপরই জড়িতদের ধরতে অভিযানে নামে সদর মডেল থানা পুলিশ। ওইদিন রাতেই সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয়েছে ১নং শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নাসিরকে।

এর আগে, মঙ্গলবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকার কোকিল টেক্সটাইল মোড় থেকে সমাজসেবা অফিস পর্যন্ত একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ‘রাজবন্দীদের মুক্তির দাবি’তে আয়োজিত এই মিছিলটির নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কমিটির সদস্য লিমন আল স্বাধীন। দেশে প্রকাশ্যে একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের এমন কর্মসূচি পালনের ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা ও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এদিকে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এই ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে রাজপথে নেমে আসেন জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তারা শহরে তীব্র বিক্ষোভ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোডাউন করেন। একপর্যায়ে ছাত্রলীগের মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা ঘেরাও করেন বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

 

ডিএস./