০৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

হিজবুল্লাহ হামলা বন্ধ করলেই যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল-লেবানন

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েল ও লেবানন একটি যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছে। অন্যান্য শর্তের পাশাপাশি, এই চুক্তিটি ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলা ‌‘সম্পূর্ণ বন্ধ করার’ ওপর নির্ভরশীল। খবর বিবিসির।

বুধবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হওয়ার পর এবং হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপ করার পর এই চুক্তি হয়েছে। গত এপ্রিলে প্রাথমিকভাবে সম্মত হওয়া একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতিকে পরীক্ষার মুখে ফেলেছে এই চুক্তি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সব দেশ পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অবশ্যই দুটি সার্বভৌম সরকার দ্বারা নির্ধারিত হতে হবে। তারা কোনো রাষ্ট্র বা অরাষ্ট্রীয় পক্ষের দ্বারা লেবাননের ভবিষ্যৎকে জিম্মি করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

এই চুক্তিটি লিতানি নদী থেকে সীমান্ত পর্যন্ত দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে ‘হিজবুল্লাহর সব সদস্যকে সরিয়ে নেওয়ার’ ওপরও নির্ভরশীল।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘পাইলট জোন’ তৈরিতে দিকনির্দেশনা দিতে সাহায্য করবে, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী সব অরাষ্ট্রীয় পক্ষকে বাদ দিয়ে ভূখণ্ডটির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নেবে।

সোমবার একটি আংশিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর এই ঘোষণা আসে। লেবানন জানিয়েছে, এই চুক্তির ফলে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা না করার বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতে বোমা হামলা থেকে বিরত থাকবে।

‘একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে’ আরও আলোচনার জন্য দুই দেশ ২২ জুন পুনরায় বৈঠকে বসবে। এই ঘোষণার বিষয়ে হিজবুল্লাহ এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।

ডিএস./

হিজবুল্লাহ হামলা বন্ধ করলেই যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল-লেবানন

প্রকাশিত : ১১:২১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েল ও লেবানন একটি যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছে। অন্যান্য শর্তের পাশাপাশি, এই চুক্তিটি ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলা ‌‘সম্পূর্ণ বন্ধ করার’ ওপর নির্ভরশীল। খবর বিবিসির।

বুধবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হওয়ার পর এবং হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপ করার পর এই চুক্তি হয়েছে। গত এপ্রিলে প্রাথমিকভাবে সম্মত হওয়া একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতিকে পরীক্ষার মুখে ফেলেছে এই চুক্তি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সব দেশ পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অবশ্যই দুটি সার্বভৌম সরকার দ্বারা নির্ধারিত হতে হবে। তারা কোনো রাষ্ট্র বা অরাষ্ট্রীয় পক্ষের দ্বারা লেবাননের ভবিষ্যৎকে জিম্মি করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

এই চুক্তিটি লিতানি নদী থেকে সীমান্ত পর্যন্ত দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে ‘হিজবুল্লাহর সব সদস্যকে সরিয়ে নেওয়ার’ ওপরও নির্ভরশীল।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘পাইলট জোন’ তৈরিতে দিকনির্দেশনা দিতে সাহায্য করবে, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী সব অরাষ্ট্রীয় পক্ষকে বাদ দিয়ে ভূখণ্ডটির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নেবে।

সোমবার একটি আংশিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর এই ঘোষণা আসে। লেবানন জানিয়েছে, এই চুক্তির ফলে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা না করার বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতে বোমা হামলা থেকে বিরত থাকবে।

‘একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে’ আরও আলোচনার জন্য দুই দেশ ২২ জুন পুনরায় বৈঠকে বসবে। এই ঘোষণার বিষয়ে হিজবুল্লাহ এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।

ডিএস./