০৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

ইরনে সব ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত : স্থলবাহিনীর কমান্ডার

শত্রুপক্ষের যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় ইরানের সেনাবাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির স্থলবাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী জাহানশাহী।

কাজভিনে ইরানের ১৬তম সাঁজোয়া ডিভিশনের যুদ্ধ প্রস্তুতি ও সামরিক সক্ষমতা পরিদর্শনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

সীমান্তে সক্রিয় সেনা উপস্থিতি

আলী জাহানশাহী বলেন, ইরানের স্থলবাহিনীর ইউনিটগুলো দেশের সীমান্তে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় তারা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

তিনি বলেন, ইরানের সীমান্ত ও ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থলবাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে অবস্থান করছেন।

সংঘাতের সময় কঠিন পরিস্থিতিতে সেনা মোতায়েন

সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরানের স্থলবাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরেন এই কমান্ডার।

তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শত্রুপক্ষের হামলার মধ্যেও স্থলবাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নির্ধারিত অবস্থানে পৌঁছে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেনা, সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের বড় ধরনের এই স্থানান্তরের সময় শত্রুপক্ষ ড্রোন, যুদ্ধবিমান, গোয়েন্দা স্যাটেলাইটসহ বিভিন্ন নজরদারি প্রযুক্তির মাধ্যমে ইরানের সেনাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল।

কঠিন পরিস্থিতিতেও মিশন সম্পন্ন

জাহানশাহী বলেন, অত্যন্ত কঠিন ও কষ্টকর পরিস্থিতির মধ্যেও স্থলবাহিনীর সদস্যরা তাদের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

তিনি দাবি করেন, শত্রুপক্ষের নজরদারি ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ইরানের সেনারা উচ্চ মনোবল ধরে রেখে নিজেদের নির্ধারিত মিশন সম্পন্ন করেছেন এবং দেশের সীমান্ত রক্ষা করেছেন।

সেনা উপস্থিতিকে প্রতিরোধের বার্তা

ইরানের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানগুলোতে স্থলবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি দেশটির জনগণের জন্য আশ্বস্ত হওয়ার কারণ এবং শত্রুপক্ষের জন্য প্রতিরোধমূলক বার্তা বলে উল্লেখ করেন জাহানশাহী।

তার মতে, সীমান্তে শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি শত্রুপক্ষকে নিরুৎসাহিত করে এবং ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার বিষয়টি স্পষ্ট করে।

সব সময় দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রস্তুত

জাহানশাহী বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এই শক্তিশালী উপস্থিতি প্রমাণ করে যে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সামরিক বাহিনী সব সময় দেশের ভূখণ্ড ও স্বাধীনতা রক্ষায় প্রস্তুত।

তিনি বলেন, কর্তৃত্ব ও ‘জিহাদি চেতনা’ নিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের ভূখণ্ড ও স্বাধীনতা রক্ষায় যেকোনো সময় দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

তার বক্তব্যে ইরানের স্থলবাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি, সীমান্তে সক্রিয় উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক সংঘাতে সেনাদের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: তাসনিম নিউজ

ডিএস./

জনপ্রিয়

রমজানে ১১ পণ্যের এলসি খোলা সহজ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

ইরনে সব ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত : স্থলবাহিনীর কমান্ডার

প্রকাশিত : ১১:৩২:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শত্রুপক্ষের যেকোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় ইরানের সেনাবাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির স্থলবাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী জাহানশাহী।

কাজভিনে ইরানের ১৬তম সাঁজোয়া ডিভিশনের যুদ্ধ প্রস্তুতি ও সামরিক সক্ষমতা পরিদর্শনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

সীমান্তে সক্রিয় সেনা উপস্থিতি

আলী জাহানশাহী বলেন, ইরানের স্থলবাহিনীর ইউনিটগুলো দেশের সীমান্তে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় তারা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

তিনি বলেন, ইরানের সীমান্ত ও ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থলবাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে অবস্থান করছেন।

সংঘাতের সময় কঠিন পরিস্থিতিতে সেনা মোতায়েন

সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরানের স্থলবাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরেন এই কমান্ডার।

তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শত্রুপক্ষের হামলার মধ্যেও স্থলবাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নির্ধারিত অবস্থানে পৌঁছে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেনা, সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের বড় ধরনের এই স্থানান্তরের সময় শত্রুপক্ষ ড্রোন, যুদ্ধবিমান, গোয়েন্দা স্যাটেলাইটসহ বিভিন্ন নজরদারি প্রযুক্তির মাধ্যমে ইরানের সেনাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল।

কঠিন পরিস্থিতিতেও মিশন সম্পন্ন

জাহানশাহী বলেন, অত্যন্ত কঠিন ও কষ্টকর পরিস্থিতির মধ্যেও স্থলবাহিনীর সদস্যরা তাদের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

তিনি দাবি করেন, শত্রুপক্ষের নজরদারি ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ইরানের সেনারা উচ্চ মনোবল ধরে রেখে নিজেদের নির্ধারিত মিশন সম্পন্ন করেছেন এবং দেশের সীমান্ত রক্ষা করেছেন।

সেনা উপস্থিতিকে প্রতিরোধের বার্তা

ইরানের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানগুলোতে স্থলবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি দেশটির জনগণের জন্য আশ্বস্ত হওয়ার কারণ এবং শত্রুপক্ষের জন্য প্রতিরোধমূলক বার্তা বলে উল্লেখ করেন জাহানশাহী।

তার মতে, সীমান্তে শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি শত্রুপক্ষকে নিরুৎসাহিত করে এবং ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার বিষয়টি স্পষ্ট করে।

সব সময় দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রস্তুত

জাহানশাহী বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এই শক্তিশালী উপস্থিতি প্রমাণ করে যে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সামরিক বাহিনী সব সময় দেশের ভূখণ্ড ও স্বাধীনতা রক্ষায় প্রস্তুত।

তিনি বলেন, কর্তৃত্ব ও ‘জিহাদি চেতনা’ নিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের ভূখণ্ড ও স্বাধীনতা রক্ষায় যেকোনো সময় দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

তার বক্তব্যে ইরানের স্থলবাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি, সীমান্তে সক্রিয় উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক সংঘাতে সেনাদের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: তাসনিম নিউজ

ডিএস./