০৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

নিরাপরাধ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, প্রকৃত অপরাধী যেন ছাড়া না পায়- মনিরুল হাসান, সিএমএম

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে আদালতের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার বলেন, আসামীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির সর্বশেষ সংশোধনীর পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিপালন করতে হবে। তদন্তকাজে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করতে বাধ্য। যদি কেউ অসহযোগিতা করে তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যার উপর যা দায়িত্ব তা আন্তরিকতার সাথে পালন করাই হলো দেশ প্রেম। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, নিরপরাধ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, প্রকৃত অপরাধী যেন ছাড়া না পায়। ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের পারষ্পরিক সমন্বয়ে আইনের অধীনে থেকে জবাবদিহিতার মাধ্যমে দেশের জন্য আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সকল বিভাগের সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং সহযোগিতার প্রয়োজন। অতঃপর পেজেন্টেশনের মাধ্যমে তিনি চট্টগ্রাম মহানগরীর চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেসির জন্মলগ্ন থেকে মামলার পরিমাণ ও বিচারক সংখ্যা এবং বর্তমান মামলা বৃদ্ধি হওয়া সত্ত্বে ও বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি না হওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন। বিভিন্ন থানার অফিসার ইন চার্জগণের দায়িত্ব পালনে দিক নির্দেশনার জন্য চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট অনুরোধ করেন।

ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধনী বিষয়ে মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, আসামীকে সঠিকভাবে উক্ত আইনের মাধ্যমে আটক থেকে শুরু করে বিচার সম্পন্ন করণের বিষয়ে আলোচনা করেন।

উক্ত কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও ফোকাল পার্সন মো. মহিদুল ইসলাম, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হামীমুন তানজীন, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো: আলমগীর হোসেন, মোহাম্মদ মোস্তফা ও মুহাম্মদ আবুল মনছুর এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সাত্তার। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোঃ হাবিবুর রহমান, আনসার ভি.ডি.পি এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক মোঃ আমিন উদ্দিন, উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো: হাসান ইকবাল চৌধুরী, শিল্প পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আরাফাতুন নূর বাঁধন, মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ (উত্তর) থেকে সহকারী পুলিশ কমিশনার খালেদ সাইফুল্লাহ, পি,বি,আই, শিল্প পুলিশ, নৌ-পুলিশ, ট্রাফিক ও সি,আই,ডি এর পক্ষে নিজ নিজ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ খালেদ হোসাইন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল এর পরিচালকের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ কাজী সাইফুল আলম, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর আইন কর্মকর্তা মাসুম রেজা, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রোমানা আক্তার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর থেকে প্রতিনিধি ও কারা অধিদপ্তরের পক্ষে ডেপুটি জেল সুপার, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, প্রবেশন অফিসার (মেট্টে) ও অন্যান্য অংশীজনসহ চট্টগ্রাম মহনগর এলাকার ১৬ থানার অফিসার ইন-চার্জবৃন্দ এবং পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ পরিদর্শকগণ উপস্থিত ছিলেন। একই সাথে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তারিক আহম্মদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাইনুদ্দিন এবং মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর মোঃ মফিজুল হক ভূইয়া কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দ্রুত সঠিকভাবে মামলার তদন্ত, জব্দকৃত আলামত ধ্বংস, আদালতের উপরে উঠার ও নিচে নামার পথে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ, আদালতে আগত আসামী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাছাড়া আদালত অঙ্গনে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার বিষয়ে তারা গুরুত্বারোপ করেন। মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগরীতে কিশোর গ্যাংদের আইনের আওতায় আনা ও আদালতের পরিবেশ রক্ষায় পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেন।

অতপর চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চট্টগ্রাম-এর পরিচালনায় ফৌজদারী মামলার বিভিন্ন বিষয়, যেমন- সমন জারী, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল, সাক্ষী উপস্থিতকরণ, জখমী সনদ, ময়না তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তি, আদালতের নিরাপত্তা বিধান ইত্যাদি বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

ডিএস/

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নীলফামারীতে ডিসির নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিরাপরাধ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, প্রকৃত অপরাধী যেন ছাড়া না পায়- মনিরুল হাসান, সিএমএম

প্রকাশিত : ০৫:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে আদালতের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার বলেন, আসামীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির সর্বশেষ সংশোধনীর পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিপালন করতে হবে। তদন্তকাজে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করতে বাধ্য। যদি কেউ অসহযোগিতা করে তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যার উপর যা দায়িত্ব তা আন্তরিকতার সাথে পালন করাই হলো দেশ প্রেম। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, নিরপরাধ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, প্রকৃত অপরাধী যেন ছাড়া না পায়। ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের পারষ্পরিক সমন্বয়ে আইনের অধীনে থেকে জবাবদিহিতার মাধ্যমে দেশের জন্য আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সকল বিভাগের সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং সহযোগিতার প্রয়োজন। অতঃপর পেজেন্টেশনের মাধ্যমে তিনি চট্টগ্রাম মহানগরীর চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেসির জন্মলগ্ন থেকে মামলার পরিমাণ ও বিচারক সংখ্যা এবং বর্তমান মামলা বৃদ্ধি হওয়া সত্ত্বে ও বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি না হওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন। বিভিন্ন থানার অফিসার ইন চার্জগণের দায়িত্ব পালনে দিক নির্দেশনার জন্য চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট অনুরোধ করেন।

ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধনী বিষয়ে মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, আসামীকে সঠিকভাবে উক্ত আইনের মাধ্যমে আটক থেকে শুরু করে বিচার সম্পন্ন করণের বিষয়ে আলোচনা করেন।

উক্ত কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও ফোকাল পার্সন মো. মহিদুল ইসলাম, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হামীমুন তানজীন, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো: আলমগীর হোসেন, মোহাম্মদ মোস্তফা ও মুহাম্মদ আবুল মনছুর এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সাত্তার। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোঃ হাবিবুর রহমান, আনসার ভি.ডি.পি এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক মোঃ আমিন উদ্দিন, উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো: হাসান ইকবাল চৌধুরী, শিল্প পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আরাফাতুন নূর বাঁধন, মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ (উত্তর) থেকে সহকারী পুলিশ কমিশনার খালেদ সাইফুল্লাহ, পি,বি,আই, শিল্প পুলিশ, নৌ-পুলিশ, ট্রাফিক ও সি,আই,ডি এর পক্ষে নিজ নিজ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ খালেদ হোসাইন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল এর পরিচালকের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ কাজী সাইফুল আলম, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর আইন কর্মকর্তা মাসুম রেজা, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রোমানা আক্তার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর থেকে প্রতিনিধি ও কারা অধিদপ্তরের পক্ষে ডেপুটি জেল সুপার, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, প্রবেশন অফিসার (মেট্টে) ও অন্যান্য অংশীজনসহ চট্টগ্রাম মহনগর এলাকার ১৬ থানার অফিসার ইন-চার্জবৃন্দ এবং পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ পরিদর্শকগণ উপস্থিত ছিলেন। একই সাথে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তারিক আহম্মদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাইনুদ্দিন এবং মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর মোঃ মফিজুল হক ভূইয়া কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দ্রুত সঠিকভাবে মামলার তদন্ত, জব্দকৃত আলামত ধ্বংস, আদালতের উপরে উঠার ও নিচে নামার পথে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ, আদালতে আগত আসামী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাছাড়া আদালত অঙ্গনে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার বিষয়ে তারা গুরুত্বারোপ করেন। মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগরীতে কিশোর গ্যাংদের আইনের আওতায় আনা ও আদালতের পরিবেশ রক্ষায় পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেন।

অতপর চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চট্টগ্রাম-এর পরিচালনায় ফৌজদারী মামলার বিভিন্ন বিষয়, যেমন- সমন জারী, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল, সাক্ষী উপস্থিতকরণ, জখমী সনদ, ময়না তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তি, আদালতের নিরাপত্তা বিধান ইত্যাদি বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

ডিএস/