০৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধনের সময় জানালেন-পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ আগামী বছরের নভেম্বরে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তা ইস্যুতে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। নদী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি কাজ করছে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরে এলে প্রকল্পের অনুমোদনের বিষয়ে অগ্রগতি হবে। পরিকল্পনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সিইজিআইএস, নদী কমিশনের কর্মকর্তা ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।

সব পক্ষের পরামর্শ সমন্বয় করে একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কোন পদ্ধতিতে কাজ করলে এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি সুফল পাবেন, তা নিশ্চিত করতে ডিপিপি তৈরিতে আরও আট থেকে নয় মাস সময় লাগতে পারে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুর এই পাঁচ জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষ উপকৃত হবেন।

মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল খনন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী খালটির উদ্বোধন করবেন। এর ফলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে, যা এলাকার উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা সুনীল কুমার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাসসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দরা।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রাজস্ব আদায়ে টিআইএনধারীদের বাড়ি বাড়ি এনবিআরের চিঠি

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধনের সময় জানালেন-পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৫:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ আগামী বছরের নভেম্বরে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তা ইস্যুতে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। নদী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি কাজ করছে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরে এলে প্রকল্পের অনুমোদনের বিষয়ে অগ্রগতি হবে। পরিকল্পনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সিইজিআইএস, নদী কমিশনের কর্মকর্তা ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।

সব পক্ষের পরামর্শ সমন্বয় করে একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কোন পদ্ধতিতে কাজ করলে এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি সুফল পাবেন, তা নিশ্চিত করতে ডিপিপি তৈরিতে আরও আট থেকে নয় মাস সময় লাগতে পারে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুর এই পাঁচ জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষ উপকৃত হবেন।

মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল খনন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী খালটির উদ্বোধন করবেন। এর ফলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে, যা এলাকার উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা সুনীল কুমার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাসসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দরা।

ডিএস./