০৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জমি নিয়ে সংর্ঘষ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু

পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আবু তালেব হাজারী (৫৭) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি রাজশাহী পোষ্টাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে অফিস সহকারী হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

জানা যায়, গত শুক্রবার ছুটির দিনে তিনি নিজ গ্রামের বাড়ী সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নওয়াগ্রাম আসেন। পরে নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আমিন দ্বারা বাড়ীর পাশ্ববর্তী বকু হাজারীর জমির সিমানা ও আবু তালেব হাজারীর জমির সিমানা নির্ধারণ করা হয়। পরে নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি ওই বাড়ি থেকে চলে যায়। এ সময় আবু তালেব হাজারী তার জমির সিমানার মধ্যে থেকে একটি গাছ কাটতে থাকলে প্রতিপক্ষের লোকজন এসে প্রথমে তাকে বাধা দেন। এর পরে তার উপর ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে মারাত্বক আহত করে। এ সময় স্থানীয় লোকজন আবু তালেবকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাবনা এবং অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অবশেষে গত কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মঙ্গলবার সে মারা যায়। এ দিকে আবু তালেবের উপর হামলার ঘটনায় পরপরই তার স্ত্রী মাহমুদা খাতুন স্বপন হাজারী সহ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে অভিযুক্ত করে সুজানগর থানায় মামলা দায়ের করে।

এ বিষয়ে সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ শরিফুল আলম জানান, এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

ট্যাগ :

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’

জমি নিয়ে সংর্ঘষ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৯:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আবু তালেব হাজারী (৫৭) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি রাজশাহী পোষ্টাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে অফিস সহকারী হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

জানা যায়, গত শুক্রবার ছুটির দিনে তিনি নিজ গ্রামের বাড়ী সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নওয়াগ্রাম আসেন। পরে নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আমিন দ্বারা বাড়ীর পাশ্ববর্তী বকু হাজারীর জমির সিমানা ও আবু তালেব হাজারীর জমির সিমানা নির্ধারণ করা হয়। পরে নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি ওই বাড়ি থেকে চলে যায়। এ সময় আবু তালেব হাজারী তার জমির সিমানার মধ্যে থেকে একটি গাছ কাটতে থাকলে প্রতিপক্ষের লোকজন এসে প্রথমে তাকে বাধা দেন। এর পরে তার উপর ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে মারাত্বক আহত করে। এ সময় স্থানীয় লোকজন আবু তালেবকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাবনা এবং অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অবশেষে গত কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মঙ্গলবার সে মারা যায়। এ দিকে আবু তালেবের উপর হামলার ঘটনায় পরপরই তার স্ত্রী মাহমুদা খাতুন স্বপন হাজারী সহ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে অভিযুক্ত করে সুজানগর থানায় মামলা দায়ের করে।

এ বিষয়ে সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ শরিফুল আলম জানান, এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।