আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত চার লেনের ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ নির্মাণাধীন সিটি আউটার রিং রোডটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে খুলে দেয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (সিডিএ) নির্মাণাধীন সবচেয়ে বড় প্রকল্প সিটি আউটার রিং রোডের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়ে এসেছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহসড়কের সীতাকুন্ড অংশ থেকে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এলাকা পর্যন্ত চলাচলরত কার্গো পরিবহনের জট কমাতে এটি একটি বিকল্প যোগাযোগ সড়ক এবং উপকূলীয় এলাকাকে জোয়ারের পানি থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
সিডিএ’র প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, এই সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্প সামুদ্রিক জোয়ারের পানি থেকে হালিশহর,পতেঙ্গা থেকে ফৌজারহাট পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকাকে রক্ষা করবে। এটি ৩০ ফুট উচ্চতা আর ১শ’ ফুট চওড়া বাঁধের উপরে নির্মিত হচ্ছে।
তিনি বলেন,এই রিং রোডে ১১টি স্লুইসগেট রয়েছে এবং শক্তিশালী ঢেউ মোকাবেলা করার জন্য থাকছে এতে সুরক্ষিত প্রাচীর। রোডটি চালু হলে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহে যানজট নিরসন হবে। পাশাপাশি চটগ্রাম বন্দর থেকে মালবাহী ভারী পরিবহনগুলো সহজে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে।
সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বলেছেন, প্রকল্পটির প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ আগামী বছরের জুন নাগাদ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে জাইকা ৬শ’ কোটি টাকা অর্থায়ন করছে।
তিনি বলেন, এই রিং রোডটি কর্ণফুলী টানেলের সঙ্গে যুক্ত থাকছে, তাই দক্ষিণ চট্টগ্রাম, টেকনাফ, বান্দরবানের লোকজন চট্টগ্রাম শহরের ভেতরে প্রবেশ না করেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রবেশ করতে পারবে।



















