১২:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বসতবাড়ি গিলেই চলেছে পদ্মা-আড়িয়াল

মাদারীপুরের শিবচরের পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদের পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পদ্মার পর এবার আড়িয়াল খাঁ নদের শিবচর অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ৩০টি ঘরবাড়িসহ বসতভিটা বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়া বিলীন হয়েছে একটি পাকা সড়ক।

ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেললেও তা অপ্রতুল।

এদিকে, পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন অব্যাহত থাকায় একই উপজেলার চরাঞ্চলের তিন ইউনিয়নে এ পর্যন্ত চারটি স্কুল, একটি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং সাত শতাধিক ঘরবাড়িসহ বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মার শিবচর অংশে ছয় সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে স্রোতের তীব্রতা আরো বেড়েছে। একই সঙ্গে আড়িয়াল খাঁ নদে পানিবৃদ্ধির সাথে সাথে তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার সন্ন্যাসীরচরে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। ভাঙনে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ্চর-সন্ন্যাসীরচর-বন্দরখোলা সড়কের একাংশ নদীতে বিলীন হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩০টি ঘরবাড়ি। হুমকিতে রয়েছে বাজার, ব্রিজ, সড়কসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি।

ভাঙন প্রতিরোধে এ অংশে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেললেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল।

অপরদিকে, পদ্মা নদীতেও ভাঙন অব্যাহত থাকায় এ পর্যন্ত নদীগর্ভে চলে গেছে একই উপজেলার চরজানাজাত, বন্দরখোলা ও কাঁঠালবাড়ির চারটি স্কুল, একটি ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ সাত শতাধিক ঘরবাড়ি।

সন্নাসীরচর ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল বেপারী বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আড়িয়াল খাঁ নদে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। অনেক ঘরবাড়ি, রাস্তা নদীর ভেতর চলে গেছে। ভাঙনরোধে কিছু বালুর বস্তা ফেলা হলেও তা অপ্রতুল। দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

বসতবাড়ি গিলেই চলেছে পদ্মা-আড়িয়াল

প্রকাশিত : ০১:৪০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মাদারীপুরের শিবচরের পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদের পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পদ্মার পর এবার আড়িয়াল খাঁ নদের শিবচর অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ৩০টি ঘরবাড়িসহ বসতভিটা বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়া বিলীন হয়েছে একটি পাকা সড়ক।

ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেললেও তা অপ্রতুল।

এদিকে, পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন অব্যাহত থাকায় একই উপজেলার চরাঞ্চলের তিন ইউনিয়নে এ পর্যন্ত চারটি স্কুল, একটি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং সাত শতাধিক ঘরবাড়িসহ বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মার শিবচর অংশে ছয় সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে স্রোতের তীব্রতা আরো বেড়েছে। একই সঙ্গে আড়িয়াল খাঁ নদে পানিবৃদ্ধির সাথে সাথে তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার সন্ন্যাসীরচরে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। ভাঙনে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ্চর-সন্ন্যাসীরচর-বন্দরখোলা সড়কের একাংশ নদীতে বিলীন হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩০টি ঘরবাড়ি। হুমকিতে রয়েছে বাজার, ব্রিজ, সড়কসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি।

ভাঙন প্রতিরোধে এ অংশে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেললেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল।

অপরদিকে, পদ্মা নদীতেও ভাঙন অব্যাহত থাকায় এ পর্যন্ত নদীগর্ভে চলে গেছে একই উপজেলার চরজানাজাত, বন্দরখোলা ও কাঁঠালবাড়ির চারটি স্কুল, একটি ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ সাত শতাধিক ঘরবাড়ি।

সন্নাসীরচর ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল বেপারী বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আড়িয়াল খাঁ নদে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। অনেক ঘরবাড়ি, রাস্তা নদীর ভেতর চলে গেছে। ভাঙনরোধে কিছু বালুর বস্তা ফেলা হলেও তা অপ্রতুল। দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’