০৯:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

টেকনাফে র‌্যাব-পুলিশের পৃথক অভিযানে বিপুল ইয়াবাসহ ৫ নারী-পুরুষ আটক

কক্সবাজারের টেকনাফে র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ৫ নারী-পুরুষকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও তাদের কাছ থেকে দুইটি ওয়াকি টকি, মাদক বিক্রির নগদ ৩৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা ও সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ অভিযান দু’টি পরিচালনা করা হয়।
আটকরা হলো- টেকনাফ পৌরসভার দক্ষিন জালিয়াপাড়া এলাকার মো: আলমের স্ত্রী খসমী আক্তার (২৫), খানকার পাড়া এলাকার বুদরুচ মিয়ার ছেলে জিয়াবুল করিম (১৯), টেকনাফ সদরের বড় হাবিরপাড়া এলাকার মো: বশিরের মেয়ে বেবী আক্তার (২০), টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকায় নুর মোহাম্মদের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার (৩৩) ও তার সহযোগি টেকনাফ জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-ডি/৪ এর বাসিন্দা হামিদ হোসেনের ছেলে রোহিঙ্গা নাগরিক মো. হাশেম (৩৫)।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম আতিক উল্লাহর নেতৃত্বে এস আই নাজিম উদ্দীন, এস আই সুব্রত রায়, এস আই বোরহানসহ একদল পুলিশ টেকনাফ সদরের জালিয়া পাড়ায় অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ও দুই নারীসহ ৩ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে দুইটি ওয়াকি টকি, মাদক বিক্রির নগদ ৩৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। আটক তিনজনসহ বাড়ীর মালিক মো: আলমকে পলাতক আসামী করে মাদক আইনে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

অপরদিকে র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ মেজর মেহেদি হাসান জানান, দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল টেকনাফের ইয়াবা রানী ইয়াসমিন আক্তার। গোয়েন্দা তথ্যে টপ লিস্টে থাকলেও তাকে ধরা এক প্রকার মুশকিল হয়ে পড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা রানী হিসেবে খ্যাত ইয়াসমিনের বাড়ি থেকে বস্তাভর্তি ৭২ হাজার ২৯০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা।

এসময় তার সহযোগী মো. হাশেম নামের রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে টেকনাফ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

টেকনাফে র‌্যাব-পুলিশের পৃথক অভিযানে বিপুল ইয়াবাসহ ৫ নারী-পুরুষ আটক

প্রকাশিত : ০৮:১৫:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

কক্সবাজারের টেকনাফে র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ৫ নারী-পুরুষকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও তাদের কাছ থেকে দুইটি ওয়াকি টকি, মাদক বিক্রির নগদ ৩৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা ও সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ অভিযান দু’টি পরিচালনা করা হয়।
আটকরা হলো- টেকনাফ পৌরসভার দক্ষিন জালিয়াপাড়া এলাকার মো: আলমের স্ত্রী খসমী আক্তার (২৫), খানকার পাড়া এলাকার বুদরুচ মিয়ার ছেলে জিয়াবুল করিম (১৯), টেকনাফ সদরের বড় হাবিরপাড়া এলাকার মো: বশিরের মেয়ে বেবী আক্তার (২০), টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকায় নুর মোহাম্মদের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার (৩৩) ও তার সহযোগি টেকনাফ জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-ডি/৪ এর বাসিন্দা হামিদ হোসেনের ছেলে রোহিঙ্গা নাগরিক মো. হাশেম (৩৫)।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম আতিক উল্লাহর নেতৃত্বে এস আই নাজিম উদ্দীন, এস আই সুব্রত রায়, এস আই বোরহানসহ একদল পুলিশ টেকনাফ সদরের জালিয়া পাড়ায় অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ও দুই নারীসহ ৩ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে দুইটি ওয়াকি টকি, মাদক বিক্রির নগদ ৩৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। আটক তিনজনসহ বাড়ীর মালিক মো: আলমকে পলাতক আসামী করে মাদক আইনে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

অপরদিকে র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ মেজর মেহেদি হাসান জানান, দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল টেকনাফের ইয়াবা রানী ইয়াসমিন আক্তার। গোয়েন্দা তথ্যে টপ লিস্টে থাকলেও তাকে ধরা এক প্রকার মুশকিল হয়ে পড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা রানী হিসেবে খ্যাত ইয়াসমিনের বাড়ি থেকে বস্তাভর্তি ৭২ হাজার ২৯০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা।

এসময় তার সহযোগী মো. হাশেম নামের রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে টেকনাফ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।