০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ফিটনেসের মূল রহস্য যোগব্যায়াম!

ফুটবলে মৌলিক অনুশীলন আগে যা ছিল এখনো তা আছে। ভবিষ্যতেও তা পরিবর্তন হবে না। হয়তো ধরনে পরিবর্তন এসেছে কিন্তু মূল অনুশীলন একই রয়েছে। পাসিং অনুশীলন, ফিনিশিং, বল ধরে রাখার বিষয়—সব আগের মতোই। কিছু ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। আবার এটা অনেকের ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপরও নির্ভর করে। কেউ কেউ হয়তো ম্যাচের আগের রাতে ‘আইস বাথ’ করে, কেউ কেউ আগেভাগে ঘুমিয়ে পড়ে। কেউ কেউ আবার রাত জেগে কম্পিউটার গেমসও খেলে। যে যেভাবে স্বস্তি বোধ করে সেভাবেই এসব ব্যক্তিগত পছন্দের অনুশীলন করে। তাই বলা যায়, মাঠের অনুশীলনে কোনো পরিবর্তন না এলেও মাঠের বাইরের অনুশীলন পদ্ধতি এবং কৌশলে কিছুটা হয়তো পরিবর্তন আসছে।

আজকাল ফিটনেসের ওপর এতটাই জোর দেওয়া হয়েছে যে বড় বড় ক্লাবে ফিজিও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অনেক খেলোয়াড় শুরু করেছেন যোগ ব্যায়াম। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের রায়ান গিগস তো অনুশীলনে রীতিমতো যোগ ব্যায়াম করতেন। শুধু গিগস একা নন, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অনেক খেলোয়াড়ই আজকাল যোগ ব্যায়ামে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন। অথচ বছর দশেক আগে খেলোয়াড়দের কাছে যোগ ব্যায়াম ছিল হাসির উপলক্ষ মাত্র। অনেকে এটা সময়ের অপচয়ও মনে করতেন। কেননা এ ব্যায়ামের ফলে বল যেমন প্রতিপক্ষের জালে পাঠাতে কোনো সাহায্য করে না, তেমনি জাল থেকে বল কুড়িয়ে আনতেও নয়। এমনকি সতীর্থদেরও বল পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে এটা কোনো কাজে আসে না। এসব কারণে ফুটবল খেলোয়াড়রা যোগ ব্যায়ামকে একটু ভিন্ন দৃষ্টিতেই দেখতেন। তাই এসব ব্যায়াম করাকে তাঁরা সময়ের অপচয়ই মনে করতেন।

কিন্তু যখনই এটা শুরু করা হয় তখনই এর উপকারিতা অনুভব করা যায়। কিছুদিনের যোগ ব্যায়ামে দারুণ স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করা যায়। শুধু তা-ই নয়, নিয়মিত যোগ ব্যায়ামে শরীরে এতটাই স্বাচ্ছন্দ্য ভাব আসে যে সাধারণ ব্যায়ামে সে পর্যায়ে কখনোই যাওয়া সম্ভব নয়। তাই তো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের রায়ান গিগস শুধু যে নিজে যোগ ব্যায়াম করেন তা-ই নয়, অন্যদের উৎসাহী করার জন্য যোগ ব্যায়ামের সিডিও বের করেছেন। এই বয়সেও গিগসের এমন ফিটনেসের কারণ কি এই যোগ ব্যায়াম?

বিবি/এসআর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

ফিটনেসের মূল রহস্য যোগব্যায়াম!

প্রকাশিত : ০৭:৪২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ফুটবলে মৌলিক অনুশীলন আগে যা ছিল এখনো তা আছে। ভবিষ্যতেও তা পরিবর্তন হবে না। হয়তো ধরনে পরিবর্তন এসেছে কিন্তু মূল অনুশীলন একই রয়েছে। পাসিং অনুশীলন, ফিনিশিং, বল ধরে রাখার বিষয়—সব আগের মতোই। কিছু ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। আবার এটা অনেকের ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপরও নির্ভর করে। কেউ কেউ হয়তো ম্যাচের আগের রাতে ‘আইস বাথ’ করে, কেউ কেউ আগেভাগে ঘুমিয়ে পড়ে। কেউ কেউ আবার রাত জেগে কম্পিউটার গেমসও খেলে। যে যেভাবে স্বস্তি বোধ করে সেভাবেই এসব ব্যক্তিগত পছন্দের অনুশীলন করে। তাই বলা যায়, মাঠের অনুশীলনে কোনো পরিবর্তন না এলেও মাঠের বাইরের অনুশীলন পদ্ধতি এবং কৌশলে কিছুটা হয়তো পরিবর্তন আসছে।

আজকাল ফিটনেসের ওপর এতটাই জোর দেওয়া হয়েছে যে বড় বড় ক্লাবে ফিজিও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অনেক খেলোয়াড় শুরু করেছেন যোগ ব্যায়াম। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের রায়ান গিগস তো অনুশীলনে রীতিমতো যোগ ব্যায়াম করতেন। শুধু গিগস একা নন, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অনেক খেলোয়াড়ই আজকাল যোগ ব্যায়ামে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন। অথচ বছর দশেক আগে খেলোয়াড়দের কাছে যোগ ব্যায়াম ছিল হাসির উপলক্ষ মাত্র। অনেকে এটা সময়ের অপচয়ও মনে করতেন। কেননা এ ব্যায়ামের ফলে বল যেমন প্রতিপক্ষের জালে পাঠাতে কোনো সাহায্য করে না, তেমনি জাল থেকে বল কুড়িয়ে আনতেও নয়। এমনকি সতীর্থদেরও বল পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে এটা কোনো কাজে আসে না। এসব কারণে ফুটবল খেলোয়াড়রা যোগ ব্যায়ামকে একটু ভিন্ন দৃষ্টিতেই দেখতেন। তাই এসব ব্যায়াম করাকে তাঁরা সময়ের অপচয়ই মনে করতেন।

কিন্তু যখনই এটা শুরু করা হয় তখনই এর উপকারিতা অনুভব করা যায়। কিছুদিনের যোগ ব্যায়ামে দারুণ স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করা যায়। শুধু তা-ই নয়, নিয়মিত যোগ ব্যায়ামে শরীরে এতটাই স্বাচ্ছন্দ্য ভাব আসে যে সাধারণ ব্যায়ামে সে পর্যায়ে কখনোই যাওয়া সম্ভব নয়। তাই তো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের রায়ান গিগস শুধু যে নিজে যোগ ব্যায়াম করেন তা-ই নয়, অন্যদের উৎসাহী করার জন্য যোগ ব্যায়ামের সিডিও বের করেছেন। এই বয়সেও গিগসের এমন ফিটনেসের কারণ কি এই যোগ ব্যায়াম?

বিবি/এসআর