১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

এটি একটি ঐতিহাসিক রায়: তোফায়েল

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায়কে যুগান্তকারী এবং একটি ঐতিহাসিক রায় হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, স্বচ্ছ বিচার হয়েছে বলেই গ্রেনেড হামলা মামলায় কারও ফাঁসি, কারো যাবজ্জীবন হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রায়ের তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৪ বছর পরে আজকে রায়টি হলো এটি একটি ঐতিহাসিক রায়। কারণ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যেই একটা পরিকল্পিতভাবে ২১ আগস্ট হামলা সংঘটিত হয়েছিল। রায়ের মধ্যে বিস্তারিত আছে কীভাবে কোথা থেকে গ্রেনেড আনা হয়েছিল। কোথায় মিটিং করে এ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল সবই আছে।’

তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার নিয়ে আমাদের একটা কলঙ্ক ছিল। সে কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। গ্রেনেড হামলার আরও একটা কলঙ্ক ছিল আজকে সঠিক রায়ের মাধ্যমে সেটি থেকেও আমরা মুক্তি লাভ করলাম। এজন্য জাতি অত্যন্ত আনন্দিত এবং খুশি।’

মামলার রায় বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিচার স্বচ্ছ হয়েছে। এ রায় যে কোনো ধরনের প্রভাবান্বিত না, যেটা যাদের ফাঁসি হলো, আর যাদের হলো না সেটা বিচার বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায়। কোনো উদ্দেশ্যে নিয়ে এ মামলাটা পরিচালনা করা হয়নি। একটা ন্যায় বিচারের জন্য মামলা পরিচালনা করা হয়েছে। আমি মনে করি যে যুগান্তকারী এবং একটা ঐতিহাসিক রায় হয়েছে। গ্রেনেড হামলার বিচার হওয়ায় জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করছেন। কারণ আজকে জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। রায় বাস্তবায়ন বিষয়ে তিনি বলেন, যাদের ফাঁসি বা যাবজ্জীবন হয়েছে তারা নিশ্চয় উচ্চ আদালতে যাবেন। সেখানে ন্যায় বিচার পাবেন এবং বিচার যেভাবে চলে সেভাবেই চলবে। এক্ষেত্রে প্রভাবন্বিত করার কিছু নেই। আমাদের তাড়াহুড়া করারও কিছু নেই। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

বিবি/এসআর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

এটি একটি ঐতিহাসিক রায়: তোফায়েল

প্রকাশিত : ০৮:২৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ অক্টোবর ২০১৮

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায়কে যুগান্তকারী এবং একটি ঐতিহাসিক রায় হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, স্বচ্ছ বিচার হয়েছে বলেই গ্রেনেড হামলা মামলায় কারও ফাঁসি, কারো যাবজ্জীবন হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রায়ের তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৪ বছর পরে আজকে রায়টি হলো এটি একটি ঐতিহাসিক রায়। কারণ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যেই একটা পরিকল্পিতভাবে ২১ আগস্ট হামলা সংঘটিত হয়েছিল। রায়ের মধ্যে বিস্তারিত আছে কীভাবে কোথা থেকে গ্রেনেড আনা হয়েছিল। কোথায় মিটিং করে এ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল সবই আছে।’

তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার নিয়ে আমাদের একটা কলঙ্ক ছিল। সে কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। গ্রেনেড হামলার আরও একটা কলঙ্ক ছিল আজকে সঠিক রায়ের মাধ্যমে সেটি থেকেও আমরা মুক্তি লাভ করলাম। এজন্য জাতি অত্যন্ত আনন্দিত এবং খুশি।’

মামলার রায় বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিচার স্বচ্ছ হয়েছে। এ রায় যে কোনো ধরনের প্রভাবান্বিত না, যেটা যাদের ফাঁসি হলো, আর যাদের হলো না সেটা বিচার বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায়। কোনো উদ্দেশ্যে নিয়ে এ মামলাটা পরিচালনা করা হয়নি। একটা ন্যায় বিচারের জন্য মামলা পরিচালনা করা হয়েছে। আমি মনে করি যে যুগান্তকারী এবং একটা ঐতিহাসিক রায় হয়েছে। গ্রেনেড হামলার বিচার হওয়ায় জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করছেন। কারণ আজকে জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। রায় বাস্তবায়ন বিষয়ে তিনি বলেন, যাদের ফাঁসি বা যাবজ্জীবন হয়েছে তারা নিশ্চয় উচ্চ আদালতে যাবেন। সেখানে ন্যায় বিচার পাবেন এবং বিচার যেভাবে চলে সেভাবেই চলবে। এক্ষেত্রে প্রভাবন্বিত করার কিছু নেই। আমাদের তাড়াহুড়া করারও কিছু নেই। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

বিবি/এসআর