০৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

‘এটা তিনি বলতে পারেন না, দেশের মানুষ ধিক্কার জানাচ্ছে’

ব্যারিস্টার মইনুল রাজনৈতিকভাবে চরিত্রহীন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘মইনুল একজন শিক্ষিত মানুষ। তিনি একজন নারী সাংবাদিককে চরিত্রহীন বলেছে। এটা তিনি বলতে পারেন না। এটা বলার কারণে দেশের মানুষ তাকে ধিক্কার জানাচ্ছে।’।

সোমবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ব্যারিস্টার মইনুল বঙ্গবন্ধুর খুনি খন্দকার মোস্তাকের সঙ্গে রাজনৈতিক জোট করেছিলেন। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাজনৈতিক দল ফ্রিডম পার্টির সঙ্গে রাজনীতি করেন।

তোফায়েল বলেন, ব্যারিস্টার মইনুল ২০০৫ সালে স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের ছাত্র সংগঠন ছাত্র শিবিরের অনুষ্ঠানে গিয়ে সেই দলের ও কর্মীদের প্রশংসা করেছিলেন।

যে লোক ৭১’র খুনি, লুন্ঠনকারী, ধর্ষকদের প্রশংসা করতে পারে, ৭৫ এর খুনিদের সঙ্গে রাজনৈতিক আঁতাত করতে পারে, সে অবশ্যই রাজনৈতিক ভাবে চরিত্রহীন বলেন তোফায়েল। তিনি জানান, সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি জামায়াতের অনুষ্ঠানে গিয়ে শিবিরের প্রশংসা করার বিষয় ব্যারিস্টার মইনুলকে প্রশ্ন করাতেই তিনি তাকে চরিত্রহীন বলেছেন।

ব্যারিস্টার মইনুল একজন ব্যারিস্টার ও শিক্ষিত মানুষ হয়ে একজন সম্মানীত নারী সংবাদকর্মীকে যে ভাষায় আক্রমন করেছেন, তা নিন্দনীয় বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় দেশে ৫৫ জন সম্পাদক নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। দেশের সর্বত্র নিন্দার ঝড় বইছে।

বিবি/এসআর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

‘এটা তিনি বলতে পারেন না, দেশের মানুষ ধিক্কার জানাচ্ছে’

প্রকাশিত : ০৮:২৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮

ব্যারিস্টার মইনুল রাজনৈতিকভাবে চরিত্রহীন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘মইনুল একজন শিক্ষিত মানুষ। তিনি একজন নারী সাংবাদিককে চরিত্রহীন বলেছে। এটা তিনি বলতে পারেন না। এটা বলার কারণে দেশের মানুষ তাকে ধিক্কার জানাচ্ছে।’।

সোমবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ব্যারিস্টার মইনুল বঙ্গবন্ধুর খুনি খন্দকার মোস্তাকের সঙ্গে রাজনৈতিক জোট করেছিলেন। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাজনৈতিক দল ফ্রিডম পার্টির সঙ্গে রাজনীতি করেন।

তোফায়েল বলেন, ব্যারিস্টার মইনুল ২০০৫ সালে স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের ছাত্র সংগঠন ছাত্র শিবিরের অনুষ্ঠানে গিয়ে সেই দলের ও কর্মীদের প্রশংসা করেছিলেন।

যে লোক ৭১’র খুনি, লুন্ঠনকারী, ধর্ষকদের প্রশংসা করতে পারে, ৭৫ এর খুনিদের সঙ্গে রাজনৈতিক আঁতাত করতে পারে, সে অবশ্যই রাজনৈতিক ভাবে চরিত্রহীন বলেন তোফায়েল। তিনি জানান, সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি জামায়াতের অনুষ্ঠানে গিয়ে শিবিরের প্রশংসা করার বিষয় ব্যারিস্টার মইনুলকে প্রশ্ন করাতেই তিনি তাকে চরিত্রহীন বলেছেন।

ব্যারিস্টার মইনুল একজন ব্যারিস্টার ও শিক্ষিত মানুষ হয়ে একজন সম্মানীত নারী সংবাদকর্মীকে যে ভাষায় আক্রমন করেছেন, তা নিন্দনীয় বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় দেশে ৫৫ জন সম্পাদক নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। দেশের সর্বত্র নিন্দার ঝড় বইছে।

বিবি/এসআর