০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘কমিউনিটি পুলিশিং জনগণের জন্যই’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা জনগণের হৃদয় জয় করতে পেরেছে। কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা যদি আরো জোরদার করা যায় তাহলে পুলিশের কাজে যেমন সহযোগিতা পাওয়া যাবে তেমনি সমাজে অনেক অপরাধ কমে যাবে।’

শনিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে এক
কার্যালয়ে পরবর্তী আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০১৭ উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দেশে এবারই প্রথম কমিউনিটি পুলিশের ডে পালন হচ্ছে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। আইজিপি এ কে এম শহীদুল হকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে। তারা এসব অপরাধের ব্যাপারে পুলিশকে প্রতিনিয়ত অবহিত করছে এবং তার আলোকে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের গত ও চলতি এই দুই মেয়াদে পুলিশ বাহিনীতে ৮০ হাজার লোকবল নিয়োগ করা হয়েছে। জনবল বাড়াতে আরো লোকবল নিয়োগের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। একইসঙ্গে পুলিশের লজিস্টিক সাপোর্ট বাড়ানো হয়েছে, যা দেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করছে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কালীগঞ্জে দুই অভিযানে ২০৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

‘কমিউনিটি পুলিশিং জনগণের জন্যই’

প্রকাশিত : ০১:৪৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৭

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা জনগণের হৃদয় জয় করতে পেরেছে। কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা যদি আরো জোরদার করা যায় তাহলে পুলিশের কাজে যেমন সহযোগিতা পাওয়া যাবে তেমনি সমাজে অনেক অপরাধ কমে যাবে।’

শনিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে এক
কার্যালয়ে পরবর্তী আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০১৭ উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দেশে এবারই প্রথম কমিউনিটি পুলিশের ডে পালন হচ্ছে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। আইজিপি এ কে এম শহীদুল হকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে। তারা এসব অপরাধের ব্যাপারে পুলিশকে প্রতিনিয়ত অবহিত করছে এবং তার আলোকে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের গত ও চলতি এই দুই মেয়াদে পুলিশ বাহিনীতে ৮০ হাজার লোকবল নিয়োগ করা হয়েছে। জনবল বাড়াতে আরো লোকবল নিয়োগের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। একইসঙ্গে পুলিশের লজিস্টিক সাপোর্ট বাড়ানো হয়েছে, যা দেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করছে।’