০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক-রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার গভর্নর উর্জিত প্যাটেল পদত্যাগ করেছেন।

ভারত সরকার রিজার্ভ ব্যাংকের উদ্বৃত্ত তহবিল থেকে টাকা চেয়ে উর্জিত প্যাটেলের ওপর চাপ বাড়িয়েছিল। এ ছাড়া ব্যাংকিংব্যবস্থায় নগদের জোগান নিয়েও দুপক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়।

মোদির সরকারের সঙ্গে ওই মতবিরোধের বিষয়টি আড়ল করে উর্জিত ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন।

ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ তিন বছর। তার পর সাধারণভাবে আরও দুই বছর মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। উর্জিত গভর্নর হয়েছিলেন ২০১৬-র ৪ সেপ্টেম্বর। প্রথম দফার মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯ মাস আগেই বিদায় নিলেন তিনি। এত কম সময় রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নরের পদে থাকার উদাহরণ সাম্প্রতিক অতীতে নেই।

উর্জিত প্যাটেল সোমবার বিকালে ছোট বিদায় বার্তায় দায়িত্ব পালনের সময় সহযোগিতা করার জন্য যাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি নেই। এ কারণে তার এ বার্তাকে ‘প্রতিবাদপত্র’ হিসেবে দেখছেন অনেকে।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ

প্রকাশিত : ০২:২৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক-রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার গভর্নর উর্জিত প্যাটেল পদত্যাগ করেছেন।

ভারত সরকার রিজার্ভ ব্যাংকের উদ্বৃত্ত তহবিল থেকে টাকা চেয়ে উর্জিত প্যাটেলের ওপর চাপ বাড়িয়েছিল। এ ছাড়া ব্যাংকিংব্যবস্থায় নগদের জোগান নিয়েও দুপক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়।

মোদির সরকারের সঙ্গে ওই মতবিরোধের বিষয়টি আড়ল করে উর্জিত ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন।

ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ তিন বছর। তার পর সাধারণভাবে আরও দুই বছর মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। উর্জিত গভর্নর হয়েছিলেন ২০১৬-র ৪ সেপ্টেম্বর। প্রথম দফার মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯ মাস আগেই বিদায় নিলেন তিনি। এত কম সময় রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নরের পদে থাকার উদাহরণ সাম্প্রতিক অতীতে নেই।

উর্জিত প্যাটেল সোমবার বিকালে ছোট বিদায় বার্তায় দায়িত্ব পালনের সময় সহযোগিতা করার জন্য যাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি নেই। এ কারণে তার এ বার্তাকে ‘প্রতিবাদপত্র’ হিসেবে দেখছেন অনেকে।

বিবি/রেআ