০৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুরে আ’লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত ১

ফরিদপুরের গোলডাঙ্গিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছে।
গতকাল রাত ১১টায় ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নে ইউসুফ আল মামুন (৪০) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় মারাত্বকভাবে আহত হয়েছে আরো ১জন। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, নর্থ চ্যানেল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংষ্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ আল মামুন গোলডাঙ্গী বাজারে বসে গল্প করছিল। এসময় প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে দেখে কটাক্ষ করে নানা মন্তব্য করে। এতে মামুন প্রতিবাদ করলে প্রতিপক্ষের লোকজন তার উপর চড়াও হয়। এসময় তিন/চার ব্যক্তি মামুনকে কিল-ঘুষি মারে। এতে মামুন গুরুতর আহত হয়। হাসপাতালে নেবার পর সে মারা যায়। এ ঘটনায় লালন ফকির নামের আওয়ামী লীগের এক কর্মী মারাত্বক ভাবে আহত হয়। তাকে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত ইউসুফ আল মামুন নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের গোলডাঙ্গী গ্রামের নুরা বেপারীর পুত্র। নিহতের স্বজনেরা জানান, বিএনপির নেতা-কর্মীরা মামুনকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে হত্যা করেছে।

গুরুতর আহত অবস্থায় মামুনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি লোকমান হোসেন মৃধা জানান, স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতা মামুনের উপর হামলা চালিয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।

কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম নাসিম বলেন, মামুন নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে এমন খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’

ফরিদপুরে আ’লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত ১

প্রকাশিত : ০৫:০৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

ফরিদপুরের গোলডাঙ্গিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছে।
গতকাল রাত ১১টায় ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নে ইউসুফ আল মামুন (৪০) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় মারাত্বকভাবে আহত হয়েছে আরো ১জন। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, নর্থ চ্যানেল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংষ্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ আল মামুন গোলডাঙ্গী বাজারে বসে গল্প করছিল। এসময় প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে দেখে কটাক্ষ করে নানা মন্তব্য করে। এতে মামুন প্রতিবাদ করলে প্রতিপক্ষের লোকজন তার উপর চড়াও হয়। এসময় তিন/চার ব্যক্তি মামুনকে কিল-ঘুষি মারে। এতে মামুন গুরুতর আহত হয়। হাসপাতালে নেবার পর সে মারা যায়। এ ঘটনায় লালন ফকির নামের আওয়ামী লীগের এক কর্মী মারাত্বক ভাবে আহত হয়। তাকে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত ইউসুফ আল মামুন নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের গোলডাঙ্গী গ্রামের নুরা বেপারীর পুত্র। নিহতের স্বজনেরা জানান, বিএনপির নেতা-কর্মীরা মামুনকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে হত্যা করেছে।

গুরুতর আহত অবস্থায় মামুনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি লোকমান হোসেন মৃধা জানান, স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতা মামুনের উপর হামলা চালিয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।

কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম নাসিম বলেন, মামুন নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে এমন খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

বিবি/ ইএম