আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে একটি মাদক সিন্ডিকেট চক্র দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে নিয়ে আসছে গাঁজা, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, নেশা জাতীয় ইনজেকশন সহ নানা প্রকারের মাদকদ্রব্য।
বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দিনাজপুরে হিলি স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে দৈনন্দিন পেঁয়াজ সহ অন্যান্য কাঁচামালের সাথে জেলা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সহজেই পৌঁছে দিচ্ছে মরণ নেশা মাদক। গত কয়েকদিন থেকে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে আসছে গাঁজা, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, নেশা জাতীয় ইনজেকশনসহ অবৈধ মাদকদ্রব্য। সেই সাথে সন্ধ্যার পর পরই শহরের বিভিন্ন পয়েন্টেই মাদক চক্রটি বিভিন্ন কৌশলে “হোম সার্ভিস” এর মাধ্যমে মাদকের রমরমা ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রটি জানায়, গত ২ সপ্তাহ আগে থেকেই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে মটরসাইকেলযোগে কিছু পুলিশ কর্মকর্তা কর্মকর্তাদের খোস গল্প করতে দেখা গেছে। এছাড়াও চায়ের দোকানে, হোটেল, চাইনিসে এই মাদক ব্যবসায়ীরা ঐ সব অসাধু কর্মকর্তাদের সাথে নিয়মিত দেখা সাক্ষাত করছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার ফলে অনায়াসে মাদক ব্যবসায়ীরা জোরেসরে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছে।
সূত্রটি জানায়, দিনাজপুর শহরের ফুলবাড়ি বাসস্ট্যান্ড, দক্ষিণ বালুবাড়ী, শেখপুরা, নিউটাউন-৩, ৫, ৬, ৭ ও ৮ নম্বর, হাউজিং মোড়, কাশিপুর, শিশুপার্ক, বড়পুল, পুলহাট, শিকদারহাট, রামসাগর, খানপুর, বাহাদুর বাজার, লিলিমোড়, মর্ডাণমোড়, মালদহপট্টি, ৬ রাস্তার মোড়, বালুয়াডাঙ্গা, হঠাৎপাড়া নদীর ধারে, ষষ্টিতলা, ঈদগামাঠ, ঈদগাহবস্তি, হাসপাতাল মোড়, বালুবাড়ি পশু হাপাসাল মোড়, মহারাজামোড়, চাতরাপাড়া, বালুয়াডাঙ্গা টেম্পু স্ট্যান্ড, থানা মোড়, সুইহারী, গোপালগঞ্জ বাজার, শেকহাটি, বাঁশেরহাট, ১০ মাইল, উলিপুর, সৈয়দপুর পশ্চিমপাড়া, পাঁচকুড় বাজার সংলগ্ন মাঠ, বাঙ্গীবেচা মোড়, কমলপুর, তাজপুর স্মরণপাড়া, ডাইলার মোড়, কসবা সহ গাঁজা, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, নেশা জাতীয় ইনজেকশনসহ মাদক দ্রব্য হোম সার্ভিস মোবাইলের মাধ্যমে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যার ফলে শহরে যত্রতত্র মাদকদ্রব্য হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে।
সূত্র মতে, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ক’দিন বাকী। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাদক সিন্ডিকেট চক্রটি তাদের টার্গেট দিনাজপুরেই ১০ কোটির টাকার মাদক বিক্রির। সেভাবে তারা মাঠে নেমেছে। সেই সাথে নাইটকোচ এবং ট্রেনযোগেও তাদের মাদক পাচারের টার্গেট ২শ’ কোটির টাকার মত বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে পুলিশ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নেক নজর জরুরি বলে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন জেলার সুশীল সমাজ।
বিবি/ ইএম



















