০৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘কোনো দেশ যেন চীনকে নির্দেশনা না দেয়’

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ যেন বেইজিংকে কোনো ধরণের নির্দেশনা না দেয়। মঙ্গলবার চীনের অর্থনৈতিক সংস্কারের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে নাম উল্লেখ না করলেও যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে দেওয়া ভাষণে শি বলেছেন, ‘কী করা উচিৎ আর কী করা উচিৎ নয় চীনা জনগণকে এ ধরণের নির্দেশনা দেওয়ার মতো অবস্থানে কেউ নেই। যা করা উচিৎ আমাদের অবশ্যই তা দৃঢ়ভাবে সংস্কার করা উচিৎ, যা উচিৎ নয় এবং যা পরিবর্তন করা যাবে না আমাদের অবশ্যই সংস্কার করা উচিৎ নয়।’

১৯৭৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর খাঁটি মাওবাদ থেকে সরে আসে চীন। তৎকালীন নেতা ডেং শিয়াওপিং ওই দিন সমাজতন্ত্রের পরিবর্তে বাজার অর্থনীতিকে চীনের নীতি হিসেবে ঘোষণা করেন। তবে এটি পুরোপুরি মুক্তবাজার অর্থনীতি তত্ত্ব নয় ; বরং একে বলা হয় ‘চীনা বৈশিষ্ট্যের সমাজতন্ত্র’।

গত ৪০ বছরে চীনের সমাজ ও অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে উল্লেখ করে শি বলেন, ‘ক্ষুধার যন্ত্রণা, খাদ্য ও বস্ত্রের অভাব ও অস্বচ্ছলতা যা আমাদের জনগণকে হাজার বছর ধরে কষ্ট দিয়ে আসছিল তা চলে গেছে এবং আর আসবে না।’

জিনপিং তার ভাষণে অর্থনৈতিক সংস্কার অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে তিনি সুনির্দিষ্টভাবে সংস্কারের খাত কিংবা এ সংক্রান্ত কোনো বিবরণ দেননি।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’

‘কোনো দেশ যেন চীনকে নির্দেশনা না দেয়’

প্রকাশিত : ০৬:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ যেন বেইজিংকে কোনো ধরণের নির্দেশনা না দেয়। মঙ্গলবার চীনের অর্থনৈতিক সংস্কারের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে নাম উল্লেখ না করলেও যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে দেওয়া ভাষণে শি বলেছেন, ‘কী করা উচিৎ আর কী করা উচিৎ নয় চীনা জনগণকে এ ধরণের নির্দেশনা দেওয়ার মতো অবস্থানে কেউ নেই। যা করা উচিৎ আমাদের অবশ্যই তা দৃঢ়ভাবে সংস্কার করা উচিৎ, যা উচিৎ নয় এবং যা পরিবর্তন করা যাবে না আমাদের অবশ্যই সংস্কার করা উচিৎ নয়।’

১৯৭৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর খাঁটি মাওবাদ থেকে সরে আসে চীন। তৎকালীন নেতা ডেং শিয়াওপিং ওই দিন সমাজতন্ত্রের পরিবর্তে বাজার অর্থনীতিকে চীনের নীতি হিসেবে ঘোষণা করেন। তবে এটি পুরোপুরি মুক্তবাজার অর্থনীতি তত্ত্ব নয় ; বরং একে বলা হয় ‘চীনা বৈশিষ্ট্যের সমাজতন্ত্র’।

গত ৪০ বছরে চীনের সমাজ ও অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে উল্লেখ করে শি বলেন, ‘ক্ষুধার যন্ত্রণা, খাদ্য ও বস্ত্রের অভাব ও অস্বচ্ছলতা যা আমাদের জনগণকে হাজার বছর ধরে কষ্ট দিয়ে আসছিল তা চলে গেছে এবং আর আসবে না।’

জিনপিং তার ভাষণে অর্থনৈতিক সংস্কার অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে তিনি সুনির্দিষ্টভাবে সংস্কারের খাত কিংবা এ সংক্রান্ত কোনো বিবরণ দেননি।

বিবি/ ইএম