০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করেছেন। যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে কবে নাগাদ সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।

ট্রাম্প বুধবার এমন ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, সিরিয়ায় ইমলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠীকে পরাজিত করা হয়েছে, তাই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে সেখানে সেনা মোতায়েন রাখার একমাত্র কারণ ছিল সেটাই।

এদিকে সিনিয়র রিপাবলিকান নেতা ও বিদেশি ঘনিষ্ঠ মিত্ররা ট্রাম্পের দাবির বিরোধিতা করে বলেছে, এই পদক্ষেপ আইএসকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

ট্রাম্পের সমর্থকদের একজন রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন সিদ্ধান্তকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মতো বড় ধরনের ভুল বলে অভিহিত করেছেন।

এদিকে সিরিয়ায় আইএস পরাজিত হয়েছে বলে ট্রাম্পের আশ্বাসের বিরোধীতা করেছে যুক্তরাজ্য সরকার।

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে আইএসমুক্ত করতে প্রায় দুই হাজার সেনা মোতায়েন ছিল। তবে এখনো সেখানে কিছু জঙ্গি লুকিয়ে আছে। দেশটিতে জঙ্গিগোষ্ঠী যাতে আর মাথাচাড়া দিয়ে না উঠতে পারে, সেটা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা।

যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা দেশটিতে আইএস এর পুনরুত্থান না ঘটার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এখনো সেখানে থাকার পক্ষপাতি বলেই ধারণা করা হয়। তবে ট্রাম্প জোরালোভাবে তা নাকচ করে দিয়েছেন।

দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেনা প্রত্যাহারের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা এখনো চূড়ান্ত নয়। তবে ২০১৯ সালের মধ্য জানুয়ারি নাগাদ মার্কিন বাহিনীকে সিরিয়া থেকে ফেরানো হবে। সূত্র: বিবিসি

বিবি/জেজে

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা ট্রাম্পের

প্রকাশিত : ১১:১৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করেছেন। যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে কবে নাগাদ সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।

ট্রাম্প বুধবার এমন ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, সিরিয়ায় ইমলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠীকে পরাজিত করা হয়েছে, তাই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে সেখানে সেনা মোতায়েন রাখার একমাত্র কারণ ছিল সেটাই।

এদিকে সিনিয়র রিপাবলিকান নেতা ও বিদেশি ঘনিষ্ঠ মিত্ররা ট্রাম্পের দাবির বিরোধিতা করে বলেছে, এই পদক্ষেপ আইএসকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

ট্রাম্পের সমর্থকদের একজন রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন সিদ্ধান্তকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মতো বড় ধরনের ভুল বলে অভিহিত করেছেন।

এদিকে সিরিয়ায় আইএস পরাজিত হয়েছে বলে ট্রাম্পের আশ্বাসের বিরোধীতা করেছে যুক্তরাজ্য সরকার।

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে আইএসমুক্ত করতে প্রায় দুই হাজার সেনা মোতায়েন ছিল। তবে এখনো সেখানে কিছু জঙ্গি লুকিয়ে আছে। দেশটিতে জঙ্গিগোষ্ঠী যাতে আর মাথাচাড়া দিয়ে না উঠতে পারে, সেটা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা।

যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা দেশটিতে আইএস এর পুনরুত্থান না ঘটার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এখনো সেখানে থাকার পক্ষপাতি বলেই ধারণা করা হয়। তবে ট্রাম্প জোরালোভাবে তা নাকচ করে দিয়েছেন।

দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেনা প্রত্যাহারের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা এখনো চূড়ান্ত নয়। তবে ২০১৯ সালের মধ্য জানুয়ারি নাগাদ মার্কিন বাহিনীকে সিরিয়া থেকে ফেরানো হবে। সূত্র: বিবিসি

বিবি/জেজে