০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মালিকের অগোচরে অনলাইনে পছন্দের খাবার অর্ডার করল টিয়া

মালিক গেছেন অফিসে। এই সুযোগে মালিকের আমাজনের ই-কমার্স ওয়েবসাইট থেকে নিজের জন্য পছন্দের একগাদা জিনিস অর্ডার করল টিয়া।

অফিস থেকে বাড়ি ফিরে ওই টিয়ার মালিক বাজার লিস্ট দেখে অবাক। এর পর সব জিনিসের অর্ডার বাতিল করেন তিনি।

রোকো নামে আফ্রিকার গ্রে-জাতীয় ওই টিয়াটি মালিকের আমাজন অ্যালেক্সা ডিভাইসের সাহায্য নিয়ে নিজের পছন্দের তরমুজ, কিসমিস, ব্রকোলি ও আইসক্রিমের অর্ডর দেয়। শুধু তাই নয়, একটি আলোর বাল্ব ও ঘুড়িও অর্ডার দিয়েছিল সে।

এমনিতেই কথা নকল করতে পারার অসামান্য দক্ষতার জন্য আফ্রিকার গ্রে টিয়া বিখ্যাত।

রোকোর মালিক ম্যারিয়ন উইস্চেনয়স্কি সংবাদমাধ্যমকে জানান, তার এই কর্মকাণ্ডে রীতিমতো আশ্চর্য তিনি। তবে এই প্রথমবার টিয়াটি এ ধরনের কর্মকাণ্ড করেছে তা নয়।

এর আগে রোকো বার্কশায়ারের ন্যাশনাল অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অভয়ারণ্যতে থাকত। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাকে আর রাখতে নারাজ। কারণ ওই টিয়াটি এমন খারাপ ভাষা ব্যবহার করত যে কর্তৃপক্ষ চিন্তায় ছিলেন হয়তো তার কথা শুনে অন্য পাখিরাও খারাপ ভাষা শিখবে।

ম্যারিয়ন উইস্চেনয়স্কি ওই অভয়ারণ্যেরই একজন কর্মী। তিনিই তখন রোকোকে নিজের অক্সফোর্ডশায়ারের বাড়িতে এনে রাখেন। তবে রোকোর এমন আচরণ সত্ত্বেও ম্যারিয়ন উইস্চেনয়স্কি তাকে অনেক ভালোবাসেন।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

মালিকের অগোচরে অনলাইনে পছন্দের খাবার অর্ডার করল টিয়া

প্রকাশিত : ১১:৫৬:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৮

মালিক গেছেন অফিসে। এই সুযোগে মালিকের আমাজনের ই-কমার্স ওয়েবসাইট থেকে নিজের জন্য পছন্দের একগাদা জিনিস অর্ডার করল টিয়া।

অফিস থেকে বাড়ি ফিরে ওই টিয়ার মালিক বাজার লিস্ট দেখে অবাক। এর পর সব জিনিসের অর্ডার বাতিল করেন তিনি।

রোকো নামে আফ্রিকার গ্রে-জাতীয় ওই টিয়াটি মালিকের আমাজন অ্যালেক্সা ডিভাইসের সাহায্য নিয়ে নিজের পছন্দের তরমুজ, কিসমিস, ব্রকোলি ও আইসক্রিমের অর্ডর দেয়। শুধু তাই নয়, একটি আলোর বাল্ব ও ঘুড়িও অর্ডার দিয়েছিল সে।

এমনিতেই কথা নকল করতে পারার অসামান্য দক্ষতার জন্য আফ্রিকার গ্রে টিয়া বিখ্যাত।

রোকোর মালিক ম্যারিয়ন উইস্চেনয়স্কি সংবাদমাধ্যমকে জানান, তার এই কর্মকাণ্ডে রীতিমতো আশ্চর্য তিনি। তবে এই প্রথমবার টিয়াটি এ ধরনের কর্মকাণ্ড করেছে তা নয়।

এর আগে রোকো বার্কশায়ারের ন্যাশনাল অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অভয়ারণ্যতে থাকত। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাকে আর রাখতে নারাজ। কারণ ওই টিয়াটি এমন খারাপ ভাষা ব্যবহার করত যে কর্তৃপক্ষ চিন্তায় ছিলেন হয়তো তার কথা শুনে অন্য পাখিরাও খারাপ ভাষা শিখবে।

ম্যারিয়ন উইস্চেনয়স্কি ওই অভয়ারণ্যেরই একজন কর্মী। তিনিই তখন রোকোকে নিজের অক্সফোর্ডশায়ারের বাড়িতে এনে রাখেন। তবে রোকোর এমন আচরণ সত্ত্বেও ম্যারিয়ন উইস্চেনয়স্কি তাকে অনেক ভালোবাসেন।

বিবি/রেআ