০৭:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতে খুলে দেয়া হচ্ছে দীর্ঘ দ্বীতল রেলসেতু

দীর্ঘ দুই দশক পর অবশেষে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ৪ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বীতল সেতু নির্মাণকাজ শেষ করেছে ভারত।

আগামী সপ্তাহে এটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্বোধনের পরই সেতুটি খুলে দেয়া হবে।

১৯৯৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচডি ডি দেবেগৌড়া এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

আসাম ও অরুণাচল প্রদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এ সেতু। ২০০২ সালে নির্মাণকাজ শুরু করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত অটলবিহারী বাজপেয়ি।

সেতুটি তৈরি করতে আনুমানিক খরচ হয়েছে ৫ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। তৈরির সময় বাজেট ছিল ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। প্রাথমিকভাবে ভাবা হয়েছিল-ব্রিজটির মোট দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে চার কিলোমিটার।

এই ব্রিজটি এশিয়ার দ্বিতীয় দীর্ঘতম রেলসেতু। যার জীবনসীমা অন্তত ১২০ বছর বলে দাবি করছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এটির নিচের স্তরে দুই লাইনের রেল-ট্র্যাক রয়েছে। একদম ওপরের স্তরে রয়েছে তিন লেনের রাস্তা, যা দিল্লি ও ডিব্রুগড়ের মধ্যে রেলপথে যাত্রার সময়সীমা প্রায় তিন ঘণ্টা কমিয়ে দেবে।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

ভারতে খুলে দেয়া হচ্ছে দীর্ঘ দ্বীতল রেলসেতু

প্রকাশিত : ০৩:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮

দীর্ঘ দুই দশক পর অবশেষে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ৪ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বীতল সেতু নির্মাণকাজ শেষ করেছে ভারত।

আগামী সপ্তাহে এটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্বোধনের পরই সেতুটি খুলে দেয়া হবে।

১৯৯৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচডি ডি দেবেগৌড়া এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

আসাম ও অরুণাচল প্রদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এ সেতু। ২০০২ সালে নির্মাণকাজ শুরু করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত অটলবিহারী বাজপেয়ি।

সেতুটি তৈরি করতে আনুমানিক খরচ হয়েছে ৫ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। তৈরির সময় বাজেট ছিল ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। প্রাথমিকভাবে ভাবা হয়েছিল-ব্রিজটির মোট দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে চার কিলোমিটার।

এই ব্রিজটি এশিয়ার দ্বিতীয় দীর্ঘতম রেলসেতু। যার জীবনসীমা অন্তত ১২০ বছর বলে দাবি করছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এটির নিচের স্তরে দুই লাইনের রেল-ট্র্যাক রয়েছে। একদম ওপরের স্তরে রয়েছে তিন লেনের রাস্তা, যা দিল্লি ও ডিব্রুগড়ের মধ্যে রেলপথে যাত্রার সময়সীমা প্রায় তিন ঘণ্টা কমিয়ে দেবে।

বিবি/রেআ