উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন বলেছেন, তিনি পরমাণু নিরস্ত্রিকরণে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তবে তিনি একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রাখে তবে তিনি বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
নতুন বছর উপলক্ষে দেয়া এক ভাষণে এসব কথা বলেন উত্তর কোরিয়ার এই নেতা। গত বছরের ভাষণে দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নজিরবিহীন কূটনৈতিক পদক্ষেপের বিষয়ে ভাষণ দিয়েছিলেন কিম।
২০১৮ সালের জুনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাত করেন কিম। ওই সাক্ষাতে তারা পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের ওপর জোর দেন।
নতুন বছর উপলক্ষে ভাষণ দেয়া প্রেসিডেন্ট কিমের জন্য একটি ঐতিহ্য। তিনি এটা তার দাদা অর্থাৎ কমিউনিস্ট দেশটির প্রতিষ্ঠাতা কিম ২-সাংয়ের কাছ থেকে পেয়েছেন।
দেশের জনগণের উদ্দেশ্যেই এই ভাষণ দেয়া হয়। আগের বছরগুলোর মতোই এ বছরের ভাষণেও অর্থনীতির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। পিয়ংইয়ংয়ের এই এজেন্ডার প্রতি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষদেরও নজর থাকে। তারা কিমের দেয়া ভাষণের প্রতিটি লাইন পর্যবেক্ষণ করে থাকেন।
মঙ্গলবার সকালে রাষ্ট্রীয় টেলিভেশনে দেয়া ওই ভাষণে কিম বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সামনে যে প্রতিজ্ঞা করেছে, তারা যদি সেটা না রাখে… এবং নিষেধাজ্ঞা চালিয়ে যায় এবং আমাদের প্রজাতন্ত্রের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে, তবে আমাদের আর কোন উপায় থাকবে না কিন্তু আমরা আমাদের সার্বভৌমত্বের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভিন্ন পথ অবলম্বন করব।
কিম আরও বলেন, উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যেই পরমাণু অস্ত্র তৈরি, ব্যবহার এবং প্রসার না করার ক্ষেত্রে অঙ্গীকার করেছে। এটা বাস্তবায়নে তারা কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। কিম আরও বলেন, যে কোন সময়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আবারও সাক্ষাত করতে প্রস্তুত তিনি।
বিবি/রেআ





















