বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম তথ্য ও প্রযুক্তি ভিত্তিক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়-ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)-এ “ফেমিনিজম ইন ফিকশন” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছ।
বুধবার বিকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বরেণ্য কথাসাহিত্যক সেলিনা হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউআইটিএস-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সৈয়দা আফসানা ফেরদৌসীর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এস আর হিলালী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ইউআইটিএস বোর্ড অব ট্রাস্টিজের মাননীয় উপদেষ্টা ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যলয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ফজলুল হক সৈকত, সহকারী অধ্যাপক নাঈমা আফরিন, তানিয়া তাবাস্সুম তনুসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
প্রধান আলোচক হিসেবে কথাসাহিত্যক সেলিনা হোসেন বাংলা সাহিত্যসহ নানান সাহিত্যে নারী চরিত্রায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন যার মধ্যে হেনরিক ইবসেনের ডলস হাউজ, রবীন্দ্রনাথের খাতা গল্প, নজরুলের নারী-পুরেষের সমতার কথা, বেগম রোকেয়ার লেখনী তুলে ধরেন।
তিনি বলেন: নারী-পুরুষের সমতা বিধান মানেই নারীকে সিদ্ধান্তগ্রহনেও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ইউআইটিএস-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান আশা প্রকাশ করেন, নারীরা আজকে অধিকার ও তাদের ভ‚মিকার বিষয়ে যে সচেতন হয়েছে এই সচেতনতাই তাদেরকে উত্তোরত্তর সাফল্য এনে দিবে।
উল্লেখ্য তিনি তার বিশ্ববিদ্যালয়ের নানান ক্ষেত্রেই নারীদের অগ্রধিকারে ভুমিকা রাখছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ইউআইটিএস বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান বলেন, যে সাহিত্যে প্রেম নেই, নারী নেই সে সাহিত্য কিছুতেই শক্তিশালী সাহিত্য হতে পারে না।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যলয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ফজলুল হক সৈকত বলেন, নারীর জন্য সর্বক্ষেত্রে একটি স্পেস তৈরি করতে হবে যাতে তারা তাদের ন্যায্য অধিকার বুঝে পান।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সৈয়দা আফসানা ফেরদৌসী বলেন, নারীদের অধিকার কেন চেয়ে নিতে হবে? এটি তো তাদের প্রাপ্য। তিনি ফেমিনিজম এর তিনটি পর্ব তুলে ধরেন এবং প্রতিটি পর্বের নানান লিখনীতে নারী চরিত্রদের আলোকপাত করেন। তিনি বিশেষ করে শেক্সপীয়র, ভার্জিনিয়া উলফ, নাইটিঙ্গেল, ইবসেন ও বেগম রোকেয়া শাখাওয়াত হোসেনের লিখনী তুলে ধরেন।


























